ইন্ডিয়া জোটে ভাঙন কি আসন্ন? পাঁচ বিধানসভার ফলপ্রকাশের পর কংগ্রেসের মতিগতি মোটেই ইন্ডিয়া জোটের জন্য হীতকর বলে মনে হচ্ছে না। প্রথমে ডিএমকের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত, বাংলায় বিজেপির জয়ে রাজ্য নেতাদের উল্লাসের পরও কেন্দ্রীয় স্তর থেকে পদক্ষেপ না করা এবং রাহুল গান্ধীর এক মন্তব্য ক্রমশ জোটের অন্দরে সন্দেহের বাতাবরণ তৈরি করে দিচ্ছে।
শুক্রবারই হরিয়ানার এক সভায় রাহুল গান্ধী বলে দেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইটা আদর্শের। ভারতে দুটো রাজনৈতিক আদর্শ এই মুহূর্তে কাজ করছে। একটা বিজেপি ও আরএসএসের ঘৃণা এবং বিভাজনের। আর একটা কংগ্রেসের ভালোবাসা এবং একতার।” রাহুলের দাবি, “বিজেপি ভোট চুরি করা শুরু করেছে। ওদের হাতে নির্বাচন কমিশন। হাজার হাজার মানুষের নাম বাদ দিচ্ছে। হরিয়ানার ভোট চুরি হয়েছে, মধ্যপ্রদেশে, মহারাষ্ট্রে হয়েছে, এবার বাংলা এবং অসমেও হল। সব এজেন্সি ওদের হাতে। একমাত্র কংগ্রেসের সিংহসুলভ কর্মীরা ছাড়া ওদের সামনে কেউ দাঁড়াতে পারবে না। কংগ্রেস ছাড়া আর কোনও দল বিজেপিকে হারাতে পারবে না।”
আরও পড়ুন:
রাহুলের দাবি, বিজেপি এই মুহূর্তে ক্ষমতার অলিন্দে। ঔদ্ধত্যের চরম সীমায়। কিন্তু বিজেপির শেষের সময় আসন্ন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা সাফ বলছেন, “লিখে রাখুন, অন্য কোনও দল নয়, বিজেপিকে হারাতে পারে একমাত্র কংগ্রেস। আর কংগ্রেসই বিজেপিকে হারাবে। সেই সময়টা খুব শীঘ্রই আসছে।”
রাহুলের এই মন্তব্যে ইন্ডিয়া জোটের অন্দরে অশান্তির আবহ স্পষ্ট। জোটের শরিকদের অন্দরে প্রশ্ন, জোটে বিরোধী দলগুলির হারে কী খুশি হচ্ছেন বিরোধী দলনেতা? রাহুল গান্ধী কি জোটের শরিকদেরই দুর্বল করার চেষ্টা করছেন? ইতিমধ্যেই ডিএমকে কংগ্রেসকে বিশ্বাসঘাতক বলে দেগে দিয়েছে। জোটের অন্য শরিকরা আগামী দিনে কোন পথে হাঁটবে, কংগ্রেসকে আদৌ কেউ ভরসা করবেন কিনা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যরাতে গ্রেটার নয়ডায় চলন্ত এসি বাসে আগুন, ঝলসে মৃত ৯, প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপ বহু যাত্রীর
-
জিটি রোড ও বাসরুটে আর চলবে না টোটো! নির্দেশিকা কার্যকরে কড়া পরিবহণদপ্তর
-
পড়ুয়া-পরিকাঠামোহীন! ডিসেম্বরে আরও প্রায় ৩০০ মাদ্রাসা বন্ধ হচ্ছে বাংলায়
-
সাতসকালে কালীঘাটে সস্ত্রীক গৌতম আদানি, দুপুরে হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর, বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর