২০২৯ সালে ফের লোকসভা নির্বাচন। আর সেখানে যদি বিরোধীরা জেতে তাহলে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ দাবি করতে পারেন। এমনই মন্তব্য করলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। তবে সেই সঙ্গেই তিনি জানালেন, নির্বাচনের পরেই অবশ্য এই নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘সাধারণত বিরোধী দলনেতার এই অধিকার থেকেই যায়। তবে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেটা আমাদের নির্বাচনের পরই ঠিক করা উচিত। অর্থাৎ বিরোধীরা যদি জিতে যায়, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেটা নির্বাচন-উত্তর বিষয়।”
আরও পড়ুন:
আর এপ্রসঙ্গে অবধারিত ভাবেই উঠে আসে ১৯৯৬ সালে জ্যোতি বসুর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার দিকটিও। তিনি বলেন, “আমরা সরকার গঠনের দাবি জানাইনি। আমাদের শক্তি অনুযায়ী তা হাস্যকর হত। স্বাভাবিকভাবেই, বিরোধী দলনেতারই সাধারণত সরকার গঠনের দাবি জানানোর অধিকার থাকে।” সেই সঙ্গেই তিনি জানাচ্ছেন, নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য নেতৃত্ব বা সরকার গঠন সংক্রান্ত কোনো জল্পনা-কল্পনায় সিপিএম জড়াতে চায় না। বেবি আরও বলেন, “আমি জানি তামিলনাড়ুতে, এমনকী জোসেফ বিজয়ের নামও বিজেপি পরাজিত হলে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আলোচিত হয়েছে। তবে এটা একটা ভিন্ন আলোচনা। আমি সেই বিতর্কে যেতে চাই না।”
আসলে বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রীর মুখ কে তা নিয়ে আলোচনা চলছে ক’দিন ধরেই। রাহুল গান্ধী নয়, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে সি জোসেফ বিজয়কে তুলে ধরছে ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ বা টিভিকে। বিষয়টি সামনে আসতেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে দক্ষিণের রাজ্যে। বেজায় ক্ষুব্ধ জোটসঙ্গী কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সমর্থন না করলে মন্ত্রিসভা থেকে তাদের দলের দুই মন্ত্রী অবিলম্বে পদত্যাগ করবেন। অভিনেতা থেকে নেতা হওয়া বিজয় ‘আকাশকুসুম’ স্বপ্ন দেখছেন, কটাক্ষ করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দল ডিএমকেও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘সুপার সুখোই’ থেকে অত্যাধুনিক পন্টসার মিসাইল! আজই মোদি-পুতিন বৈঠকে চূড়ান্ত হবে অস্ত্রচুক্তি?
-
শেষে ট্রান্সফর্মার উদ্বোধন রাহুল গান্ধীর! প্রচারের বহর দেখে নেটিজেনদের খোঁচা, ‘যেন দেশোদ্ধার করলেন’
-
‘১০ হাজার রান করেও বাদ পড়েছিলাম’, শামিকে উৎসাহ দিতে নিজের উদাহরণ টানলেন সৌরভ
-
চোখে-মুখে উদ্বেগ, হয়নি ঘুম! সকালে ভবানী ভবনে চা-বিস্কুট খেয়ে মেদিনীপুরে অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত
-
বাবা-মায়ের চাপে বিজ্ঞান, পছন্দ সাহিত্য, ফি বছর কাউন্সেলরের দ্বারস্থ যাদবপুরের ৩০০ পড়ুয়া