Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

‘বাচ্চারা চিনা মাঞ্জা ব্যবহার করলে আইনি দায় অভিভাবকদেরও’, জানাল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট

হাইকোর্ট তাদের রায়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কেউ যদি এই নিষিদ্ধ সুতো বিক্রি বা ব্যবহার করেন, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১২:৫৮

options
link
‘বাচ্চারা চিনা মাঞ্জা ব্যবহার করলে আইনি দায় অভিভাবকদেরও’, জানাল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট zoom
Advertisement

চিনা মাঞ্জাবাচ্চাদের (অপ্রাপ্তবয়স্কদের) যদি নিষিদ্ধ চিনা মাঞ্জা ব‌্যবহার করতে দেখা যায়, তাহলে এবার তার জেরে ঘটা দুর্ঘটনার আইনি দায় বর্তাবে অভিভাবকদের উপর। নিষিদ্ধ চিনা মাঞ্জার ব্যবহারে মৃত্যু বা কোনও রকম দুর্ঘটনা ঘটলে কড়া আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে অভিভাবকদেরও। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে মধ‌্যপ্রদেশ হাই কোর্টের ইন্দোর বেঞ্চ।

আদালতের তরফে রাজ‌্য সরকারকে নির্দেশ– চিনা মাঞ্জার বিক্রি বা ব‌্যবহারে ভারতীয় ন‌্যায় সংহিতার ১০৬ (১) ধারার আওতায় মামলা দায়ের করা হতে পারে। বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা এবং বিচারপতি অলক অবস্থির ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে চিনা মাঞ্জা বিক্রি এবং ব‌্যবহার সংক্রান্ত এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছে।

Advertisement

হাইকোর্ট তাদের রায়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কেউ যদি এই নিষিদ্ধ সুতো বিক্রি বা ব্যবহার করেন, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। আর বিশেষ করে যদি দেখা যায় অপ্রাপ্তবয়স্করা চিনা মাঞ্জা ব‌্যবহার করছে, তা হলে তাদের অভিভাবকদের সেক্ষেত্রে দায়বদ্ধ ধরা হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর চিনা মাঞ্জার কারণে ঘটা মৃত্যু ও দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই মামলা গ্রহণ করেছিল। তথ‌্য অনুযায়ী, গত দেড় মাসে ইন্দোরে চিনা মাঞ্জায় গলা কেটে ১৬ বছরের এক কিশোর এবং ৪৫ বছরের এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ১৩ জন। আদালত এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে কঠোর নির্দেশ জারি করেছে। শুনানির সময় এদিন রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয় যে, এই ধরনের বিপজ্জনক সুতো বিক্রি বন্ধ করতে ইতিমধ্যে তাদের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে।

পাশাপাশি ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়াতেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। হাইকোর্ট তাদের রায়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কেউ যদি এই নিষিদ্ধ সুতো বিক্রি বা ব্যবহার করেন, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। আর বিশেষ করে যদি দেখা যায় অপ্রাপ্তবয়স্করা চিনা মাঞ্জা ব‌্যবহার করছে, তা হলে তাদের অভিভাবকদের সেক্ষেত্রে দায়বদ্ধ ধরা হবে। এছাড়াও চিনা মাঞ্জার সরবরাহ রুখতে অবিলম্বে বাজার এবং গুদামগুলিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.