Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iran

মোল্লাতন্ত্র উৎখাতে ইরানে নিহত ২ হাজার! গদি টালমাটাল খামেনেইর, দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ

মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহ শুরু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ২০:৫১

options
link
মোল্লাতন্ত্র উৎখাতে ইরানে নিহত ২ হাজার! গদি টালমাটাল খামেনেইর, দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ zoom

গণবিক্ষোভে উত্তাল ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে কি এবার কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনের অবসান হবে? এই প্রশ্ন ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এদিকে গদি টালমাটাল দেখে আরও বেশি করে মরিয়া হয়ে উঠছেন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। দেখা মাত্রই গুলির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রয়টার্সের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার বিদ্রোহীর মৃত্যু হয়েছে। জেলবন্দি ১০ হাজারেরও বেশি।

‘ইরান ইন্টারন্যাশনাল’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, দেশজুড়ে চলতে থাকা হত্যাকাণ্ডে পুরোপুরি হাত রয়েছে খামেনেইর। পাশাপাশি সরকারের সমস্ত শাখাও এই পদক্ষেপ সম্পর্কে ভালোভাবেই ওয়াকিবহাল। প্রসঙ্গত, ইরানে মূল্যবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, কট্টরপন্থী ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। অভিযোগ, বিক্ষোভ রুখতে হিংসাত্মক দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনী।

Advertisement

এহেন পরিস্থিতিতে ইরান নিয়ে কূটনৈতিক অস্বস্তি বাড়ছে দিল্লির। একদিকে শুল্কযুদ্ধে আমেরিকার সঙ্গে অম্লমধুর সম্পর্ক, অন্যদিকে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক ‘বন্ধুত্বে’র সম্পর্ক। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যেভাবে বিক্ষোভকারীদের উপর দমননীতি চালাচ্ছে ইরান, তার ভিত্তিতে সেখানে মার্কিন হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এই অবস্থায় ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি বুঝিয়ে দিলেন, আপাতত ধীরে চলো নীতিতে বিশ্বাসী দিল্লি। তবে ইরান প্রবাসী ভারতীয়দের নিয়ে চিন্তিত দেশ।

ইরানে গণবিক্ষোভ নতুন কিছু নয়। ২০০৯ সালের গ্রিন মুভমেন্ট ছিল মূলত শহুরে মধ্যবিত্তদের আন্দোলন, ২০১৭ ও ২০১৯ সালের বিক্ষোভে নেতৃত্বে ছিল দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং ২০২২ সালে মাহশা আমিনি-র মৃত্যুর পর যে আন্দোলন হয়েছিল, তা নারীর অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দমননীতির বিরুদ্ধে। তবে, এবারের আন্দোলন এসবের চেয়ে পৃথক। যে জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে, তা আর আটকে রাখা যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের মুখে ধর্ম ও জাতীয়তাবাদ হয়তো আর যথেষ্ট নয় বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.