পুরুষের এই ৫টি গুণ চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে নারীকে! আপনিও ঘায়েল হয়েছেন?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০০:০৫
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০০:০৫
১৮
নারীর মন পাওয়া কী আর সহজ কাজ! তার জন্য কতই না সাধ্য সাধনা করতে হয়। আবার মনে ধরলেই নারী যে মুখে তা প্রকাশ করবে, তেমনটাও কিন্তু নয়। মনের হদিশ সহজে কাউকে দিতে চায় না তাঁরা।
২৮
প্রকাশ করুক না করুক পুরুষের কয়েকটা গুণ কিন্তু চুম্বকের মতো আকর্ষণ করে নারীদের। হাজার চেষ্টাতেও সেই অমোঘ আকর্ষণকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা হয় না। কিন্তু আদতে অধিকাংশ পুরুষরাই কিন্তু জানে না যে কোন ক্যারিশ্মায় মুহূর্তে জিতে নেওয়া যায় নারীমন।
নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই গুণ? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেগুলোই। কাউকে ইমপ্রেস করার ক্ষেত্রে আপনি কী জামা পরছেন, কোন রঙের জামা পরছেন তা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পছন্দের রঙ কিন্তু বুঝিয়ে দেয় আপনি কেমন মানুষ। পোশাক-ঘড়ি নিয়ে যারা সচেতন সহজেই নারীদের মন জিতে নেন তাঁরা।
৪৮
মহিলারা মনের কথা মুখ ফুটে বলতে চান না। তাঁরা চান, কেউ একজন থাকুক যে না বলা কথা বুঝে নিতে পারবে। চোখের ভাষা পড়ে মনের হদিশ পাবে। আর এইকাজ যারা করতে পারেন, মেয়েদের মন জেতা তাঁদের বাম হাতের খেলা!
৫৮
এই গুণগুলোর মধ্যে মূল হচ্ছে সম্মান। নারী মন জিতে নিতে গেলে সম্মান প্রদান ভীষণভাবে প্রয়োজন। তবে স্রেফ কাউকে ইমপ্রেস করার উদ্দেশ্যে যদি একাজ করেন, তাতে কোনও লাভ নেই। যারা মন থেকে মহিলাদের সম্মান করেন, তা তাঁদের আচরণেই ফুটে ওঠে। যা চিনতে কখনই ভুল করে না মেয়েরা।
মহিলারা এমন কাউকে জীবনে চান, যিনি নিমেষেই সব সমস্যার সমাধানে সমান দক্ষ। আদতে সিনেমার নায়কের মতো কাউকে বাস্তব জীবনে সঙ্গী করতে চায় মেয়েরা। সেই দক্ষতা যদি থেকে থাকে জানবেন নিজের অজান্তেই বহু তরুণীর মনে জায়গা করে নিয়েছেন আপনি।
৭৮
প্রতিটি মেয়েই চায় নিরাপদ আশ্রয়। এমন একজন সঙ্গী যে ভুল-ঠিক বিচার না করে বেগতিক পরিস্থিতিতে পাশে দাঁড়াবে। এমন কাউকে পাশে পেলে মেয়েরা মন দেওয়ার ক্ষেত্রে দুবার ভাবে না।
৮৮
কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। অধিকাংশ পুরুষই জানে না তাঁদের এই গুণে মোহিত হয় নারীরা। তাই পছন্দের নারী গোপনে প্রেমে হাবুডুবু খেলেও তা বুঝতেই দীর্ঘ সময় কাটিয়ে ফেলে ছেলেরা।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তারকা। ব্রাজিলীয় ফুটবলের কিংবদন্তি। মাঝমাঠে তাঁর স্কিলের ঝলক ভক্তদের মুগ্ধ করে রাখত। কিন্তু আচমকাই রটে গিয়েছে ব্রাজিলের ফুটবলার কাকা নাকি প্রয়াত। সত্যিই কি তাই? জানুন সত্যিটা।
২১২
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক ছড়িয়ে রয়েছে কাকার। বিশেষ করে যাঁরা এই শতকের শুরুর দিকে ফুটবল দেখেছেন। ব্রাজিলীয় মিডফিল্ডারের পায়ের জাদু দেখার জন্য অপেক্ষা করে থাকতেন ফুটবলভক্তরা।
স্বাভাবিকভাবেই তাঁর 'প্রয়াণের' খবরে মন ভাঙে ভক্তদের। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় রটে গিয়েছে, কাকার মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও তো আবার আগ বাড়িয়ে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন কাকা।
৪১২
তবে সত্যিটা হল, এই ধরনের পোস্ট ভুয়ো। কাকা প্রয়াত হননি। ৪৩ বছর বয়সি প্রাক্তন ফুটবলার দিব্যি রয়েছেন। এমনকী মাঝেমধ্যে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামেন। ফলে তাঁর মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভুল।
৫১২
১৯৮৩ সালে ব্রাজিলে জন্ম। ক্লাব জীবনে সাফল্যের ছড়াছড়ি। ব্রাজিলের হয়েও বিশ্বকাপ জিতেছেন। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতেই ভুয়ো খবর ছড়াতে থাকে। যা দেখে বেজায় চটেছেন ভক্তরা। তবে কাকা নিজে এই বিষয়ে মুখ খোলেননি।
২০০৫ সালে ছোটবেলার বান্ধবী ক্যারোলিন সেলিসোর সঙ্গে বিয়ে হয়। এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে তাঁদের। তবে ২০০৫ সালে সোশাল মিডিয়ায় উভয়ই বিবাহ বিচ্ছেদের খবর জানিয়ে দেন।
৭১২
কিন্তু কেন সম্পর্ক ভাঙল? সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়ায়, তাঁর স্ত্রী নাকি বলেছেন, কাকা খুব ভালো বলেই বিবাহ বিচ্ছেদ করেছেন। এত ভালো মানুষের সঙ্গে নাকি থাকা যায় না। তবে তাঁর স্ত্রী পরে জানান, তিনি এই ধরনের কোনও মন্তব্য করেননি।
৮১২
২০০০ সালে সাও পাওলোর হয়ে অভিষেক হয় কাকার। তারপর এসি মিলানে যোগ দেন। মূলত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলতেন। ৬ বছর এসি মিলানে ১৯৩টি ম্যাচে ৭০টি গোল করেছেন। সেই সময় ইটালির দলটি ছিল অপ্রতিরোধ্য। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, সিরি আ, সুপার কাপ, ক্লাব সুপার কাপ জিতেছেন।
৯১২
ব্রাজিলের হয়ে ৯২টি ম্যাচ খেলেছেন। গোল করেছেন ২৯টি। হলুদ জার্সিতে রোনাল্ডো, রোনাল্ডিনহো, আদ্রিয়ানো, কাফুরা তাঁর সতীর্থ ছিলেন। এই শতকের প্রথম দশকের অন্যতম সেরা প্লেয়ার ছিলেন কাকা। শুধু ফুটবলের স্কিল নয়, তাঁর রূপেও মুগ্ধ ছিলেন অনেকে।
১০১২
এসি মিলানে তাঁর কোচ ছিলেন কার্লো আন্সোলোত্তি। সেই সময় ব্রাজিলের রোনাল্ডোও খেলতেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতার পর তাঁর জার্সিতে 'আই বিলং টু জেসাস' অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল। এমনকী ২০০২ সালে বিশ্বকাপে জেতার সময়ও তাঁর পরনে সেই পোশাক ছিল।
১১১২
মিলানের সাফল্যের পর চলে যান স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদে। সেই সময় 'গ্যালাক্টিকো'তে তাঁর সতীর্থ ছিলেন রোনাল্ডো। লস ব্ল্যাঙ্কোসদের হয়ে লা লিগা ও কোপা দেল রে জিতলেও প্রতিভার ঝলক দেখাতে পারেননি। এরপর এসি মিলানে ফিরে আসেন। ২০১৪ সালে অবসর নেন।
১২১২
২০০৭-এ ব্যালন ডি'অর জেতেন। ফিফা বর্ষসেরা প্লেয়ারও হন সেই বছর। ফিফা ও উয়েফার বর্ষসেরা একাদশে ছিলেন। এছাড়া আমেরিকার অরল্যান্ডো সিটিতে খেলার সময়ও সেই লিগের সেরা দলে ছিলেন।
বিয়ের সাত বছর পরও একে-অপরের প্রেমে হাবুডুবু খান নিক-প্রিয়াঙ্কা। তারকাদের 'ঘুণ ধরা' দাম্পত্যের ভিড়ে যে তাঁদের সম্পর্কের রসায়ন সত্যিই বিরল, সেটা বারবার নিজেরাই প্রমাণ করেছেন 'নিকিয়াঙ্কা'। এবার গোল্ডেন গ্লোবের সফল অনুষ্ঠানের পর রাত-বিরেতে যা করলেন, তাতে নবদম্পতিরাও দাম্পত্য চাঙ্গা রাখার পাঠ পাবেন।
২১০
বলিউড হোক বা হলিউডের যে কোনও হাইপ্রোফাইল অনুষ্ঠান থেকে রেড কার্পেট, 'দেশি গার্ল'কে কিছুতেই কাছছাড়া করতে চান না নিক জোনাস। তাই সর্বত্রই প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে মার্কিন পপ তারকার উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখা যায়। মেট গালার পর এবার গোল্ডেন গ্লোবের কড়চা দেখিয়ে নেটভুবনকে লজ্জায় ফেললেন তারকাদম্পতি!
গোল্ডেন গ্লোবের সফল অনুষ্ঠানের পর সোমবার রাতে নৈশভোজের আমন্ত্রণ ছিল নিক-প্রিয়াঙ্কার। আর সেখান থেকে ফিরেই হোটেলের ঘরে নিকের সঙ্গে 'কোয়ালিটি টাইম' কাটালেন নায়িকা। যেখানে দুধসাদা পোশাকে স্বামীর সঙ্গে রোম্যান্সে ডুব দিলেন প্রিয়াঙ্কা। আর সেই রাতের দুষ্টুমির ঝলকই লেন্সবন্দি করলেন 'দেশি গার্ল'।
৪১০
কখনও আলতো ঠোঁটে-ঠোট! কখনও বা নিক জোনাসের বাহুডোরে ধরা দিলেন বিছানা বিলাসী প্রিয়াঙ্কা। আবার কখনও বা আদর করে স্ত্রীর মুখে তুলে দিলেন কফি-মিল্ক শেক! তারপর?
৫১০
পরনে অফশোল্ডার সাদা লং গাউন। এলো চুল। উন্মুক্ত কাঁধ থেকে নায়িকার আবেদন যেন চুইঁয়ে পড়ছে। ঠেলে বেরিয়ে আসতে যৌবনের সব আকাঙ্ক্ষা! যা দেখে প্রিয়াঙ্কার পুরুষ ভক্তকুলে হইচই পড়ে গিয়েছে। তবে দুষ্টুমির মাঝে খানাপিনাও বাদ যায়নি।
দেশি গার্ল যে বরাবর পিৎজা প্রেমী, সেকথা বহুবার নিজেই জানিয়েছেন। আর স্ত্রীর আবদার মেটাতে নিকেরও জুড়ি মেলা ভার! নইলে কি আর মাঝরাতে হিরের দোকান খুলিয়ে আংটি কিনে প্রোপোজ সারেন?
৭১০
একফ্রেমে আবার 'দেশি গার্ল'কে সোফায় গা এলিয়ে ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলতে দেখা গেল। সেখানেও সোহাগে-আদরে স্ত্রীকে ভরিয়ে দিলেন নিক। গোল্ডেন গ্লোবের লাল গালিচাতেও অবশ্য প্রিয়াঙ্কার চুল ঠিক করে দিয়েছিলেন তিনি। আসলে নিক-প্রিয়াঙ্কা বরাবরই একে-অপরকে চোখে হারান। তাই তো তাঁদের 'বন্য রোম্যান্স' নিয়ে এত চর্চা। দাম্পত্যেযাপনের ৭ বছরেও তাঁদের এত প্রেম কীভাবে জানেন?
৮১০
একবার প্রিয়াঙ্কা তো নিজেই তাঁদের 'বেডরুম সিক্রেট' ফাঁস করে ফেলেছিলেন। হলিউড মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, রবিবার সকালের উন্মাদনা বরাবরই তাঁর কাছে আলাদা। কেন? কারণ "রবিবার সকালে বিছানায় একে-অপরের সঙ্গে গা ঘেঁষাঘেষি না করলে, হয়ই না! এটা আমাদের কাছে বাধ্যতামূলক", বলেছিলেন 'পরদেশিবাবু'র দেশি গার্ল।
৯১০
অভিনেত্রী জানান, সপ্তাহের ওই একটা দিনই স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার সময় পান তিনি। ছুটির দিনে এই বিষয়টা তাঁদের কাছে রীতিমতো 'ট্র্যাডিশন' হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনওমতেই এই নিয়মের নড়চড় হয় না। তবে চলতি সপ্তাহে রবিবার গোল্ডেন গ্লোবের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তারকাদম্পতি। তাই কি নিয়মে ভাঁটা পড়ায় রাতে ফিরে হোটেলের ঘরে দুষ্টুমিতে মাতলেন নিকিয়াঙ্কা? কৌতূহল নেটপাড়ার।
১০১০
স্বামী-স্ত্রীর বয়সের দশ বছরের ফারাক। প্রিয়াঙ্কা বর্তমানে ৪২ আর নিক জোনাসের বয়স ৩২। মাঝে শোনা যায়, তাঁদের দাম্পত্যে নাকি ফাটল ধরেছে! তবে নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘঁষে দিয়ে বরাবর নিজেদের সুখী দাম্পত্যের ঝলক দেখিয়েছেন নিক-প্রিয়াঙ্কা। এবার সফল গোল্ডেন গ্লোব অনুষ্ঠানের পরও তার ব্যতিক্রম হল না। (ছবি সৌজন্যে- ফেসবুক)