Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Live-In Relationships

‘লিভ-ইন সম্পর্কেও স্ত্রীর মর্যাদা প্রাপ্য’, ‘গান্ধর্ব বিবাহ’কেই স্বীকৃতি মাদ্রাজ হাই কোর্টের?

বিচারপতি বলেন, ভারতে লিভ-ইন সম্পর্ক নিঃসন্দেহে এক বিরাট সাংস্কৃতিক ধাক্কা। কিন্তু বাস্তব হল এটাই যে এই ধরনের ঘটনা আকছার ঘটছে এখন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৬:৫১

options
link
‘লিভ-ইন সম্পর্কেও স্ত্রীর মর্যাদা প্রাপ্য’, ‘গান্ধর্ব বিবাহ’কেই স্বীকৃতি মাদ্রাজ হাই কোর্টের? zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

লিভ-ইন সম্পর্কেও মহিলাদের স্ত্রীর মর্যাদার পক্ষে সওয়াল হাই কোর্টের। আদালতের মতে, গান্ধর্ব বিবাহের সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে লিভ ইন সম্পর্কের। সেই যুক্তিতেই লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা মহিলাদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে তাঁদের স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিচারপতি। সম্প্রতি মাদ্রাজ হাই কোর্টে এক মামলার পর্যবেক্ষণে এমনই জানিয়েছেন বিচারপতি এস শ্রীমথি।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনা তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি জেলার। পরিবার বিয়েতে রাজি না হওয়ায় প্রাপ্তবয়স্ক দুই যুবক-যুবতী বাড়ি ছেড়ে আলাদাভাবে থাকতে। পরে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় যুবতীর সঙ্গে সম্পর্কে দাঁড়ি টেনে চলে আসেন যুবক। এই ঘটনায় পুলিশের দ্বারস্থ হন তরুণী। অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাসের অভিযোগ উঠেছিল এক যুবকের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় মাদ্রাজ হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান ওই যুবক। এই মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি এস শ্রীমথির বেঞ্চে। সেখানেই বিচারপতি বলেন, ভারতে লিভ-ইন সম্পর্ক নিঃসন্দেহে এক বিরাট সাংস্কৃতিক ধাক্কা। কিন্তু বাস্তব হল এটাই যে এই ধরনের ঘটনা আকছার ঘটছে এখানে। আদালতের মতে অনেক মহিলাই লিভ-ইন সম্পর্কে জড়ানোর পর বুঝতে পারেন এমন সম্পর্কে কোনও সামাজিক বা আইনি নিরাপত্তা নেই। সম্পর্কের তিক্ত বাস্তবতায় পরে বিপুল সমস্যার মুখে পড়েন মহিলারাই।

Advertisement

এপ্রসঙ্গেই বিচারপতি বলেন, যেহেতু সমাজে এই ধরনের ঘটনা ক্রমশ বেড়ে চলেছে ফলে এই ধরনের সম্পর্কে মহিলাদের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহে গান্ধর্ব বিবাহের কথা তুলে ধরে আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই ধরনের মামলায় লিভ-ইন সম্পর্ককে গান্ধর্ব বিবাহের আঙ্গিকে দেখা উচিত যাতে মহিলার স্ত্রীর মর্যাদা ও আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

উল্লেখ্য, এই মামলায় ওই যুবকের আগাম জামিনের আর্জি করে বিচারপতি জানান, আধুনিকতার নামে পুরুষরা প্রায়শই এক্ষেত্রে আইনি অস্পষ্টতার সুযোগ নেয়। পরে সম্পর্কের অবনতি হলে সেই নারীকে দোষারোপ করে তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এই ধরনের পরিস্থিতি রুখতে মহিলাদের আইনি সুরক্ষা পাওয়া উচিত বলে জানালেন বিচারপতি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.