সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে পুর-পঞ্চায়েত নির্বাচনে একপেশে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। ২৮৮টি মহারাষ্ট্র নগর পরিষদ এবং পঞ্চায়েতের মধ্যে ১২৯টির দখল নিয়েছে বিজেপি। এবার সেই ধারা বজায় রাখতে বিএমসি নির্বাচনে আসন সমঝোতা সেরে ফেলল বিজেপি এবং শিণ্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা। এরমাঝেই বেসুরো, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালের দল আরপিআই।
এক সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর, বিজেপি বৃহন্নুম্বাই পুর কর্পোরেশন (বিএমসি) নির্বাচনে একনাথ শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনাকে ৯০টি আসন দিতে সম্মত হয়েছে। বিজেপি বাকি ১৩৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও, বিজেপির প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল ১৫০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা।
বিজেপি প্রথমে শিণ্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনাকে ৫০টি আসনে লড়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু চূড়ান্ত আলোচনার পর, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে তার দলের জন্য ৯০টি আসন ছিনিয়ে নিয়েছেন। মুম্বই বিজেপি ইউনিটের সভাপতি অমিত সাতম বলেছেন, আসন বণ্টন চুক্তি অনুযায়ী, বিজেপি এবং শিবসেনা তাঁদের নিজ নিজ কোটা থেকে কিছু আসন জোটের অন্যদের জন্য বরাদ্দ করবে।
आगामी बृहन्मुंबई महानगरपालिका निवडणुकीच्या अनुषंगाने मुंबई भाजपा कार्यालयात आयोजित करण्यात आलेली महत्त्वपूर्ण संघटनात्मक बैठक यशस्वीरीत्या पार पडली.
तसेच, आगामी निवडणुकांसाठी संघटना अधिक बळकट करण्यावर विशेष भर देण्यात आला. या प्रसंगी वरिष्ठ नेत्यांचे मोलाचे मार्गदर्शन लाभले.… pic.twitter.com/ezXPwCUmko
— Ameet Satam (@AmeetSatam) December 28, 2025
যদিও এই ঘোষণার পরেই বেসুরো সুর শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালেরর দল আরপিআই-এর গলায়। মন্ত্রীর দাবি, তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিজেপি। আঠাওয়ালের অভিযোগ, বিকেল ৪টেয় আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার জন্য দলের সদস্যদের ডাকা হয়। কিন্তু কেউ তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। আঠাওয়ালে বলেন, “আমরা অপেক্ষা করেছিলাম, কিন্তু কিছুই হয়নি। তাই, আমাদের দলের কর্মীরা খুবই অসন্তুষ্ট, এবং তারা বিএমসি নির্বাচনে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবং সেই সিদ্ধান্ত আমিও মেনে নেব।”
এর আগের স্থানীয় নির্বাচনে বিরাট জয় নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের মন্তব্য, “মোদিজি আমাদের উপর চেয়ে বিশ্বাস রেখেছিলেন, আমাদের নেতা অমিত শাহজি, নাড্ডাজি এবং নবীনজি আমাদের উপর যে আস্থা রেখে ছিলেন তা পূরণ করতে পেরে আমরা খুশি।” আরও বলেন, “প্রথমবার আমি কোনও নেতা বা দলের সমালোচনা করিনি, অভিযোগ করিনি। বরং পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেছিলাম। ১০০% ইতিবাচক প্রচারণ চালিয়েছিলাম। এর ফলস্বরূপ জনগণ পাশে থেকেছে।”
সর্বশেষ খবর
-
ধর্ষণের পর গলায় লেগিংস পেঁচিয়ে খুন! দিনহাটার পাটক্ষেতে উদ্ধার নাবালিকার দেহ, ক্ষোভ গ্রামবাসীদের
-
‘সিস্টেম সঙ্গে নেই, এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না মোদি’, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের
-
আগামী সপ্তাহেই ‘অপারেশন লোটাস’! ভাঙার অপেক্ষায় তৃণমূলের সংসদীয় দলও, তালিকায় কারা?
-
হাজিরা দিলেই গ্রেপ্তারির আশঙ্কা, মেসি কাণ্ডে সমন এড়ালেন ‘অসুস্থ’ অরূপ বিশ্বাস, ক্ষুব্ধ শতদ্রু
-
আধুনিকীকরণের স্বার্থেই যাদবপুর-বাঘাযতীনে হকার উচ্ছেদ! তৃণমূলের ১৫ বছরের কাটমানির হিসেব চাইলেন শর্বরী