Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
sixth jyotirlinga

‘ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ’ কোন রাজ্যে? অসমের বিজ্ঞাপনে বিতর্ক, ধুন্ধুমার বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যে

ভীমশঙ্কর মন্দির নিয়ে দ্বন্দ্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১০:৩৬

options
link
‘ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ’ কোন রাজ্যে? অসমের বিজ্ঞাপনে বিতর্ক, ধুন্ধুমার বিজেপি শাসিত দুই রাজ্যে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ’ (6th Jyotirlinga) ভীমশঙ্কর মন্দির মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) অবস্থিত নাকি অসমের (Assam) কামরূপে? অসম সরকারের পর্যটন দপ্তরের বিজ্ঞাপনে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়েছে, কামরূপের ডাকিনী পাহাড়ে রয়েছে ‘ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ’ তথা ভীমশঙ্কর মন্দির। যদিও তা মহারাষ্ট্রে অবস্থিত। এই ঘটনায় ধুন্ধুমার বেধেছে বিজেপি (BJP) শাসিত দুই রাজ্যের মধ্যে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকারের পর্যটন দপ্তরের বিরুদ্ধে আসরে নেমেছে মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলগুলি, এমনকী শাসক শরিক বিজেপিও।

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে, অসমের পর্যটন দপ্তরের বিতর্কিত বিজ্যাপনী ক্যালেন্ডার। সেখানে ছবির নিচে লেখা হয়েছে, ‘ভীমশঙ্কর মন্দির, ডাকিনী হিল, কামরূপ, অসম’। হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ছবি-সহ ওই ক্যালেন্ডারে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি শিবরাত্রীর দিন ভক্তদের স্বাগত জানানো হয়েছে কামরূপের ষষ্ঠ জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরে। যদিও ভীমশঙ্কর মন্দির রয়েছে মহারাষ্ট্রের পুনেতে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সর্বপ্রথম প্রতিবাদ করেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ারের কন্যা তথা সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। টুইট করে অসম সরকারকে তুলোধোনা করেন তিনি। লেখেন, “বিজেপি শাসিত রাজ্য অসমের পর্যটন দপ্তরের ক্যালেন্ডারে ছাপা হয়েছে একই রকম মন্দিরের একটি ছবি। লেখা হয়েছে, ভীমশঙ্কর মন্দির নাকি অসমের কামরূপে রয়েছে! এ তো আশ্চর্য কথা!” সুপ্রিয়ার আক্ষেপ, “মহারাষ্ট্রের শিল্প বাণিজ্যের পর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিও চুরি হয়ে যাচ্ছে!”  

Advertisement

[আরও পড়ুন: বরফঢাকা গুলমার্গে স্কি করতে ব্যস্ত রাহুল গান্ধী, তুললেন সেলফিও, ভাইরাল ভিডিও]

সুপ্রিয়া এই বিষয়ে অসম সরকারের সঙ্গে কথা বলার আরজি জানান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এবং বিজেপি নেতা তথা উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসকে। এর পর এই ঘটনায় একযোগে প্রতিবাদ শুরু করে মহারাষ্ট্রের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল। এনসিপি-র পাশাপাশি আসরে নামে কংগ্রেস, শিবসেনা (উদ্ধব)-র পাশাপাশি শাসক জোটের শরিক বিজেপিও। অর্থাৎ কিনা বিজেপি শাসিত রাজ্যের বিরোধিতায় নেমেছে বিজেপি। ঘটনায় অস্বস্তিতে হিমন্তর বিশ্ব শর্মা সরকার।  

[আরও পড়ুন: খুনের আগে বাগদানের অনুষ্ঠানে ফূর্তি সাহিলের, ফিরে লিভ ইন পার্টনারকে হত্যা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.