রাজ্যের একজন মন্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অবহিত করাতে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। কিন্ত তাতে যোগ না দেওয়ায় একজন আইএএস কর্তা এবং রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার যুগ্ম পরিচালককে সাসপেন্ড করল মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকার।
২৬ ফেব্রুয়ারি বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন রাজ্যের পরিবেশমন্ত্রী পঙ্কজা মুণ্ডেকে চন্দ্রপুর জেলার দূষণ সম্পর্কিত আলোচনার জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু পঙ্কজা জানান, বিস্তারিত তথ্য দিতে তিনি অপারগ। কারণ, সংশ্লিষ্ট কর্তারা ২০১১ ব্যাচের আইএএস তথা মহারাষ্ট্র দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (এমপিসিবি) সদস্য সচিব এম দেবেন্দ্র সিং এবং এমপিসিবির যুগ্ম পরিচালক সতীশ পাড়ভাল তথ্য সংগ্রহের জন্য তাঁর ডাকা বৈঠকে যোগ দেননি।
আরও পড়ুন:
ওই অফিসার কেবল বৈঠকে যোগ দেননি শুধু নয়। উল্টে তিনি উপস্থিত থাকবেন না বলে একটি বার্তাও পাঠিয়ে দেন। মন্ত্রী বলেন, এই ধরনের অবাধ্যতা একজন মন্ত্রীর জনসাধারণের কাছে জবাবদিহি করার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে।
পঙ্কজা বিধানসভাকে আরও জানান, ওই অফিসার কেবল বৈঠকে যোগ দেননি শুধু নয়। উল্টে তিনি উপস্থিত থাকবেন না বলে একটি বার্তাও পাঠিয়ে দেন। পঙ্কজা বলেন, এই ধরনের অবাধ্যতা একজন মন্ত্রীর জনসাধারণের কাছে জবাবদিহি করার ক্ষমতাকে ব্যাহত করে। এর পরই প্রো-টেম স্পিকার দিলীপ ল্যান্ডে মন্ত্রীর বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে ওই আধিকারিকের অনুপস্থিতিকে ‘চরম অবহেলা’ এবং ‘আইনসভার প্রতি অপমান’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি সরকারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার পরই সরকার ওই আমলাকে সাসপেন্ড করে।
যদিও এই ঘটনা রাজ্যের আইনসভা ও প্রশাসনের ক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এভাবে আইনসভার নির্দেশ কোনও সরকার কী কোনও আমলার বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপ করতে পারে?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
EXCLUSIVE: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
মমতার জোটের ডাক উপেক্ষা! উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি