Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Mahrashtra

দেশের মধ্যে প্রথম! ব্যালটে ভোট করাতে নয়া আইন আনতে পারে উদ্ধব সরকার

আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার নানা প্যাটেল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২১, ১৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২১, ১৯:০৩

options
link
দেশের মধ্যে প্রথম! ব্যালটে ভোট করাতে নয়া আইন আনতে পারে উদ্ধব সরকার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটদান প্রক্রিয়া নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথে মহারাষ্ট্র (Mahrashtra) সরকার। ইভিএমের পাশাপাশি এই রাজ্যে ফিরতে চলেছে ব্যালট পেপারও (Ballot Paper)! অর্থাৎ ভোটদাতারা চাইলে EVM নয়, ব্যালট পেপারেও যাতে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য উদ্ধব সরকারের কাছে এই প্রসঙ্গে নয়া আইন আনার প্রস্তাব দিয়েছেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার। মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বিধানসভার স্পিকার নানা প্যাটেলের কাছে একটি চিঠি পাঠান প্রদীপ উক্কে নামে নাগপুরের (Nagpur) এক বাসিন্দা। যেখানে তিনি ইভিএমের পাশাপাশি ব্যালট পেপারেও ভোট প্রক্রিয়া করানোর জন্য আবেদন করেন। এরপরই এই নিয়ে বৈঠকে বসেন নানা প্যাটেল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিধানসভার সচিব রাজেন্দ্র ভাগবত, চিফ ইলেকটোরাল অফিসার বলদেব সিং-সহ রাজ্য প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। ওই বৈঠকেও এই বিষয়েই মূলত আলোচনা হয়। তারপরই উদ্ধব সরকারকে স্থানীয় নির্বাচন এবং রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এই সংক্রান্ত আইন তৈরির নির্দেশ দেন নানা প্যাটেল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুই সেনাকর্তার মধ্যে তুঙ্গে বিবাদ, তদন্তের নির্দেশ দিলেন সেনাপ্রধান নারাভানে]

পরবর্তীতে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ চাইলেই যাতে ব্যালট পেপারে ভোট দিতে পারে, সেজন্য আমি রাজ্যের আইন মন্ত্রককে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য নির্দেশও দিয়েছি। অনেকের মনেই ইভিএম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে আর তাঁরা চানও ব্যালট পেপারে ভোটদানের পুরনো প্রথা ফিরিয়ে আনা হোক। সংবিধানের ৩২৮ ধারা অনুযায়ী এ ব্যাপারে আইন আনার ক্ষমতা রাজ্য বিধানসভায় রয়েছে।” বিধানসভার স্পিকার এই নির্দেশ দিলেও সরকারি আধিকারিকদের মধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ স্থানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিলেও বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব থাকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে তাঁদের অনুমতিও প্রয়োজন। এখন দেখার উদ্ধব সরকার এরপর কী পদক্ষেপ করে?

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিমরা সাম্প্রদায়িক, ফের বিতর্কিত মন্তব্য অসমের মন্ত্রীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.