Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Maharashtra

গরিবের ফ্ল্যাট হাতিয়ে বিপাকে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী, তিন দশক পর কারাদণ্ড, খোয়াতে পারেন মন্ত্রিত্ব

মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফড়নবিসের মন্ত্রিসভার কৃষিমন্ত্রী মানিকরাও কোতাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫, ১৬:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫, ১৬:৪৫

options
link
গরিবের ফ্ল্যাট হাতিয়ে বিপাকে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী, তিন দশক পর কারাদণ্ড, খোয়াতে পারেন মন্ত্রিত্ব zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের গরিব মানুষের মাথার উপর ছাদ দিতে ফ্ল্যাট বানিয়েছিল সরকার। তবে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বরাদ্দ ফ্ল্যাট নিজের নামে হাতিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী মানিকরাও কোতাকে। তিন দশক পর সেই মামলায় সাজা ঘোষণা হল মহারাষ্ট্রে দেবেন্দ্র ফড়নবিসের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী ও তাঁর ভাইয়ের। বৃহস্পতিবার এই মামলায় মানিকরাও ও তাঁর ভাইকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯৫ সালে। নাসিকের এক সোসাইটিতে সরকারি উদ্যোগে তৈরি ফ্ল্যাটের ১০ শতাংশ আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। সেই ফ্ল্যাট হাতাতে ভুয়ো নথি জমা দেন এই মানিকরাও। ফ্ল্যাট পেতে নিজের আয় সংক্রান্ত নথিতে কারচুপি করা হয়। এর ভিত্তিতে আদালতে দায়ের হয় মামলা। দীর্ঘ ৩০ বছর পর গত বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করেছে নাসিকের নিম্ন আদালত। যেখানে দোষী সাব্যস্ত এনসিপি (অজিত) বিধায়ক তথা মন্ত্রী মানিকরাও কোতাকেকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই শাস্তি প্রযোজ্য হবে তাঁর ভাই সুনীল কোতাকের জন্যও।

Advertisement

এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বিপাকে মহারাষ্ট্রের নাসিকের সিন্নার এনসিপি বিধায়ক মানিকরাও। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে মন্ত্রীর। সেখানে যদি রেহাই না মেলে, সেক্ষেত্রে বিধানসভার সদস্যপদ তো বটেই মন্ত্রিত্ব খোয়াতে পারেন ওই বিধায়ক। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনও জনপ্রতিনিধি যদি ২ বছর বা তার বেশিদিনের শাস্তি পান সেক্ষেত্রে প্রথামত খারিজ হয় তাঁর সদস্যপদ। তবে বিধায়কের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এখন প্রশ্নের মুখে। আদালতের এহেন নির্দেশ সামনে আসার পর ইতিমধ্যেই মানিকরাওয়ের বিধানসভার সদস্যপদ খারিজের দাবিতে সরব হয়েছে কংগ্রেস, এনসিপি ও সপা।

এদিকে আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই মামলায় আদালত পূর্বে তাঁকে জামিন দিয়েছিল। অবশ্যই এই নির্দেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে যাব আমি।’ রায় ন্যায়সঙ্গত হয়নি বলে বিধায়ক বলেন, ‘আমি হাই কোর্টে যাওয়ার সমস্ত রকম প্রস্তুতি নিয়েছি।’ শুধু তাই নয়, গোটা ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ তুলে মানিকরাও বলেন, যে ব্যক্তি এই মামলা করেছিলেন তাঁর সঙ্গে আমার রাজনৈতিক সংঘাত ছিল যার জেরেই এই মামলা করা হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.