BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এমএ ক্লাসের পাঠ্যবইয়ে ধর্মনিরপেক্ষ নন গান্ধীজি, লোকমান্য তিলক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 17, 2016 11:14 am|    Updated: May 17, 2016 11:14 am

An Images

রাজস্থানে স্কুলের পাঠ্যবই থেকে বাদ পড়েছিল দেশের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নাম৷ সে বিতর্কের রেশ মিটতে না মিটতেই নতুন বিতর্ক দেখা দিল মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত এক বইকে ঘিরে৷ সেখানে বাল গঙ্গাধর তিলক ধর্মনিরপেক্ষ নন৷ এমনকী দেশভাগের কারণও গিয়ে ঠেকল গান্ধীজির অতিরিক্ত হিন্দু প্রতীক ব্যবহারে৷

মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত ‘ইনস্টিটিউট অফ ডিসট্যান্স অ্যান্ড ওপেন লার্নিং’-এর এক পাঠ্যবইয়ে এভাবেই তুলে ধরা হয়েছে ভারতীয় ইতিহাসকে৷ স্নাতকত্তোর স্তরের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বইয়ের ‘মডার্ন ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল থট’ অধ্যায়ে এই উল্লেখ মিলল সম্প্রতি৷ সেখানে যেমন স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলক ধর্ম নিরপেক্ষ নন, তেমনই ধর্মের প্রশ্নে রেহাই পাননি জাতির জনকও৷ স্পষ্টতই বলা হয়েছে গান্ধীজির হিন্দু প্রতীক ব্যবহারের কারণেই বীতশ্রদ্ধ হন মহম্মদ আলি জিন্না৷ এ কারণেই তিনি শুধু কংগ্রেস নয়, দেশ ছাড়ারও সিদ্ধান্ত নেন৷

বাল গঙ্গাধর তিলকের গণেশ পুজোর প্রবর্তন বা গীতার ব্যবহারকে রাজনীতির সঙ্গে ধর্ম মিশিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বলেই উল্লেখ করা হয়েছে৷ এই দৃষ্টিভঙ্গিই ধর্মনিরপেক্ষ নয় বলে দাবি করা হয়েছে ওই বইটিতে৷

 এই ব্যাখ্যায় কী বলছেন পরিবারের সদস্যরা?

লোকমান্য তিলকের বংশধর রোহিত তিলক জানাচ্ছেন, গণেশ পুজোর প্রবর্তনই হযেছিল মানুষকে সমবেত করার জন্য৷ সকল শ্রেণির মানুষ তখন মন্দিরে প্রবেশের অধিকার পেত না৷ এই সিদ্ধান্তই জানিয়ে দেয় তিনি সময়ের থেকে কতখানি এগিয়ে ছিলেন৷ যে কোনও বইয়ে সত্যিটাই উঠে আসা উচিত, কোনও ব্যক্তিগত মাতামত লেখা বাঞ্ছনীয় নয় বলেই মনে করেন তিনি৷

গান্ধীজির বংশধর তুষার গান্ধী জানাচ্ছেন, বাপুজি জাতির জনক বলেই তাঁকে যে কেউ আক্রমণ করতে পারে৷ তবে স্নাতকোত্তর স্তরের কোনও বইয়ের এরকম মান তিনি যে প্রত্যাশা করেননি  তা জানিয়ে দিলেন খোলাখুলি৷ এমনকী তিলকের উদাহরণ টেনে বলেন, লোকমান্য মুসলিমদের কতটা সাহায্য করতেন তাও ইতিহাসেই লেখা আছে৷

তাহলে কেন এই ইতিহাস বিকৃতি? আপাতত এর কোনও উত্তর নেই৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement