সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে গ্রেপ্তার হাপুর ধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত। ছয়দিন আগে মাত্র ছ’বছরের শিশুকন্যাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নারকীয় অত্যাচার চালায় তিনজন। অভিযুক্তদের হদিশ পেতে কোমর বেঁধে নেমেছিল হাপুর পুলিশ। প্রকাশ করেছিল স্কেচও। ঘোষণা করা হয়েছিল অভিযুক্তদের ধরিয়ে দিতে পারলে মিলবে নগদ পুরস্কারও। দলের মূল পাণ্ডা এই দলপতই ধরা পড়ল এতদিন পরে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজে হাপুর ও তার আশপাশের জেলায় এতদিন চিরুনি তল্লাশি চলছিল। বেশ কিছুদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা করছিল দলপত। তাঁদের নানাভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, একবার নদীর ধারে নিজের কিছু জামাকাপড় ও সুইসাইড নোট ফেলে রেখেছিল সে। চিঠিতে লেখা ছিল, “আমি পুলিশের এনকাউন্টারে মরতে চাই না। তাই আত্মহত্যা করছি।” কিন্তু সে চালাকিও শেষমেশ কাজে এল না। হাপুর জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দলপতকে জেরা করে বাকি দু’জনের খোঁজ পাওয়া যাবে।
[আরও পড়ুন : মহামারীর আবহেও পরোপকার! একমাসে পাঁচটি দেশে ২৩ লক্ষ PPE রপ্তানি করেছে ভারত]
দিল্লি থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলার গড় মুক্তেশ্বর এলাকার বাসিন্দা ওই শিশুকন্যা। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে তার উপর নির্মম নির্যাতন চালিয়েছিল তিন যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, মোটরবাইকে করে এসে শিশুকন্যাকে অপহরণ করেছিল তিনজন। তারপর নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। গ্রামের বাইরে একটি ঝোপের ভিতর থেকে অচৈতন্য অবস্থায় বাচ্চা মেয়েটাকে উদ্ধার করা হয়।
[আরও পড়ুন :করোনামুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, টুইট করে নিজেই দিলেন সুখবর]
সর্বশেষ খবর
-
মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, কাটমানির দাবি! বাগনানে তৃণমূল বিধায়কের বাড়ির সামনে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ মহিলাদের
-
এবার অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা বিজিবির! রুখল বিএসএফ
-
লাথি খেয়ে কচুবনে, বাড়ি দখলের অভিযোগে এবার ডিম খেলেন জয়প্রকাশ
-
‘চুপ থাকব না শেষ দেখে ছাড়ব’, বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় স্বামী-শ্বশুরের জোড়া আইনি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ সেলিনার
-
৩০০ টাকা রোজ মাইনের চাকুরে থেকে কোটিপতি, উল্কাগতিতে উত্থান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ কাণ্ডে ধৃত পরিতোষের