Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
'সুপ্রিম' সওয়াল মমতার
Mamata Banerjee

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব! SIR ‘হেনস্তা’র যোগ্য জবাবে বড় ইঙ্গিত মমতার

'কমন ইস্যু'তে বিরোধী দলগুলিকে একছাতার তলায় আনতে আসরে খোদ সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে চাণক্যপুরীর নয়া বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে সেকথাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।  

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৯:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৯:৪৭

options
link
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব! SIR ‘হেনস্তা’র যোগ্য জবাবে বড় ইঙ্গিত মমতার zoom
মমতার পাশে ইন্ডিয়া জোট।

সপ্তমে সংঘাত! এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের তোড়জোড় তৃণমূল কংগ্রেসের। ‘কমন ইস্যু’তে বিরোধী দলগুলিকে একছাতার তলায় আনতে আসরে খোদ সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে চাণক্যপুরীর নয়া বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে সেকথাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।  

এসআইআর আবহে চাপ বাড়াতে রাজধানী দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন এসআইআর-এ ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের পরিবারের লোকজনেরা। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে নির্বাচন সদনে প্রায় সোয়া একঘণ্টা বৈঠকও করেছেন তিনি। তবে সে বৈঠকে যে মোটেও সন্তুষ্ট নন তা সাফ জানিয়েছেন। বৈঠক শেষে জ্ঞানেশ কুমারকে ‘মিথ্যাবাদী’, ‘উদ্ধত’-সহ একাধিক বিশেষণে ভরিয়েছিলেন বাংলার প্রশাসনিক প্রধান। তাঁকে অপমান করা হয়েছে বলেও দাবি করেন। “সিইসিকে বয়কটের ডাক”ও দিয়েছিলেন মমতা।

Advertisement
Mamata Banerjee | Bengal CM walks out of EC meet, says 'we were insulted and humiliated'
জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠক করেন মমতা। এসআইআর ‘ক্ষতিগ্রস্ত’দের দুর্ভোগ, স্বজনহারানোর যন্ত্রণার কথা দিল্লির সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। ঠিক কীভাবে বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কমিশন কাজ করছে, আরও একবার সেসব অভিযোগে সুর চড়ান।

Mamata Banerjee again shows 'ghost' voter from Delhi
দিল্লির চাণক্যপুরীর নয়া বঙ্গভবনে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: তৃণমূলের অফিসিয়াল X হ্যান্ডেল

আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু ইমপিচমেন্ট হতেই পারে। ধারা রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করব। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।

পরে অবশ্য সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবও দেন। এক সাংবাদিক তাঁকে রাহুল গান্ধী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-সহ অন্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে রেট্রোস্পেকটিভ আইন আনার দাবির কথা তুলে ধরেন। মমতাকে প্রশ্ন করা হয়, এই বিষয়ে কি রাহুলকে সমর্থন করবেন? মমতার জবাব, “কোনও কিছু যদি জেনুইন, প্র্যাকটিকাল হয় এবং জনতার ভালোর জন্য হয়, আমরাও চাইব ইমপিচমেন্ট হোক। আমাদের নম্বর নেই। কিন্তু ইমপিচমেন্ট হতেই পারে। ধারা রয়েছে। রেকর্ড তো হয়ে যাবে। উনি যদি এমন করেন, তবে আমরা আমাদের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের স্বার্থে এককাট্টা হয়ে কাজ করব। এতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”

বলে রাখা ভালো, সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানো যায় সংসদে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পাশ করিয়ে। অর্থাৎ জ্ঞানেশ কুমারকে ইমপিচ করার জন্য সংসদের দুই কক্ষেই দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। যদিও এই সংখ্যা বিরোধীদের কাছে নেই। এদিকে, এই সাংবাদিক বৈঠকের পর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক ছিল মমতার। ওই বৈঠকে ইমপিচমেন্ট নিয়ে কোনও কথা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে অবশ্য এখনও কিছু জানা যায়নি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.