১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

হিংসা নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ, মোদির শপথে যাচ্ছেন না মমতা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 29, 2019 2:43 pm|    Updated: May 29, 2019 3:39 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে আচমকা পট বদল৷ প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পরিকল্পনা বাতিল করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাংলায় হিংসার ছবি তুলে ধরে যেভাবে বিজেপির তরফে রাজনৈতিকভাবে প্রচার চলছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত৷ টুইটারে সেকথা স্পষ্ট করেছেন তিনি নিজেই৷

[আরও পড়ুন: ‘ভুলিনি’, শপথ অনুষ্ঠানে বাংলায় নিহত কর্মীদের পরিবারকে ডেকে বার্তা মোদির]

৩০ তারিখ নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমন্ত্রিত ছিলেন রাজ্যের সব মুখ্যমন্ত্রীদের৷ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিরোধিতা সরিয়ে রেখে রাজনৈতিক সৌজন্য দেখিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেইমতো মঙ্গলবার বিকেলেই তাঁর দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল৷ এ প্রসঙ্গে আবার সদ্য বিজেপিতে যোগ দিয়ে সাংসদ হওয়া অর্জুন সিং পর্যন্ত কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে৷  এনিয়েও  রাজনৈতিক মহলে চর্চা কম হয়নি৷তবে মঙ্গলবার দুপুর নাগাদই সবটা পালটে গেল৷ এরাজ্যে রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও শপথমঞ্চে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ এদিন কলকাতা থেকে তাঁদের নিয়ে দিল্লি রওনা হয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতারা৷ রাজধানীতে তাঁদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও করা হয়েছে৷

[আরও পড়ুন: গেরুয়া ধাক্কায় নরম হিন্দুত্বের পথে তৃণমূল! সুদীপের মন্তব্যে জল্পনা]

প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের পর থেকেই বিজেপি নেতৃত্ব প্রচার করতে শুরু করেছে, বাংলায় তৃণমূলের অত্যাচারে বহুসংখ্যক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে৷ আর তা নিয়েই আপত্তি মুখ্যমন্ত্রীর৷ টুইটারে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন, সংখ্যা এবং মৃত্যুর কারণ নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিজেপি নেতৃত্ব৷ কেউ তৃণমূলের অত্যাচারে প্রাণ হারাননি৷ মৃত্যুর নেপথ্যে পারিবারিক বা অন্য কোনও কারণ ছিল৷ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোটেই এমন হতাশাজনক নয়৷ আর এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানে থাকার অর্থ রাজ্যের প্রতি অবমাননা মেনে নেওয়া, যা তিনি কোনওভাবেই করতে প্রস্তুত নন৷ তাই সৌজন্য রেখেই প্রতিবাদ জানালেন তিনি৷ টুইটারে আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷  রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে যথাযথ সিদ্ধান্তই নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ একই মঞ্চে নিহত বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে আসন গ্রহণ করাটা তাঁর পক্ষে অপমানজনক৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement