৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবার৷ আগামিকাল, ৩০ মে দিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন প্রায় ৫১ জন নিহত বিজেপি সমর্থকদের পরিজনরা৷

[নির্বাচনী আবহ কাটতেই ফের মহার্ঘ পেট্রল-ডিজেল, ভোগান্তি বাড়ল সাধারণের]

আগামিকাল বা বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয়বারের জন্য রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী পদের শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি৷ এই অনুষ্ঠানে একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান-সহ আমন্ত্রিত প্রায় ৭ হাজার অতিথি৷ তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলায় নিহত ৫০ জন দলীয় কর্মীর আত্মীয়রা৷ এঁদের মধ্যে ৪৬ জন পঞ্চায়েত ও ৫ জন লোকসভা নির্বাচনের ঘটা হিংসায় নিহত হয়েছিলেন৷ বিজেপি সূত্রে খবর, বুধবার স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে দিল্লির উদ্দেশে ট্রেনে রওনা দিয়েছেন তাঁরা৷ বৃহস্পতিবার দিল্লি পৌঁছাবেন তাঁরা৷ সেখানে তাঁদের থাকা-খাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ বিজেপি সূত্রে খবর, নিহত কর্মীদের বেশিরভাগই বারাকপুর, কৃষ্ণনগর, বর্ধমান, রানাঘাট, পুরুলিয়া, মালদা, বীরভুম, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও কোচবিহারের বাসিন্দা ছিলেন৷ এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, “গোটা পশ্চিমবঙ্গ আজ বিজেপির পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে৷ বাংলার জনতা যে মোদিজিকে চাইছে, লোকসভা নির্বাচনে তা স্পষ্ট৷ তবে এই জায়গায় পৌঁছাতে আমাদের যে কর্মীরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আমরা ভুলিনি৷ আমরা সবসময় তাঁদের পরিবারে পাশে দাঁড়াব৷”

রাজ্যে বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ৷ নিহত উভয়পক্ষেরই বহু সমর্থক৷ বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৬৮ জন সমর্থক৷ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিহত সমর্থকদের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্যে কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করতে চাইছে গেরুয়া শিবির৷ ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে কর্মীদের দলের সাফ বার্তা- ‘আমরা পাশে আছি’৷ উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাজ্যে মাত্র ২টি লোকসভা আসন পেয়েছিল বিজেপি৷ গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও প্রায় ২০ হাজার আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি বিরোধীরা৷ ওই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার এবার সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮টি আসন দখল করতে সক্ষম হয়েছে দলটি৷ এককালের তৃণমূল সেনাপতি মুকুল রায় প্রকাশ্যেই বলেছেন, এবার বাংলায় পরিবর্তন হবে৷ তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস রয়েছে৷ তাই শেষ হাসি কে হাসবে তা সময়ই বলবে৷           

[গেরুয়া ধাক্কায় নরম হিন্দুত্বের পথে তৃণমূল! সুদীপের মন্তব্যে জল্পনা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং