Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬
Cook

হেঁশেলে খুন্তি নাড়া নাপসন্দ আজকের তরুণ প্রজন্মের! কারণ জানলে চমকে যাবেন

মা-ঠাকুমাদের মতো আর হেঁশেলে ঢুকতে চাইছে না নতুন প্রজন্ম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২৩:৩৯

options
link
হেঁশেলে খুন্তি নাড়া নাপসন্দ আজকের তরুণ প্রজন্মের! কারণ জানলে চমকে যাবেন zoom
আধুনিক প্রজন্মের তরুণীরা কেন রান্নাকে ঘৃণা করেন? ছবি: সংগৃহীত

অফিস ফেরত স্বামী রিমোট হাতে টিভির সামনে বসে পড়লেন। আর স্ত্রী ব্য়াগ কাঁধ থেকে নামিয়ে রান্নাঘরে ঢুকলেন। এ যেন কমবেশি সব গৃহস্থ বাড়িরই ছবি। তবে বর্তমানে দিন বদলাচ্ছে। মা-ঠাকুমাদের মতো আর হেঁশেলে ঢুকতে চাইছে না নতুন প্রজন্ম। তাঁরা নাকি রান্না করাকে রীতিমতো ঘৃণা করেন। তার নেপথ্যে এমন কারণ রয়েছে, যা শুনলে আপনি অবাকই হবেন বেশ খানিকটা।

প্রথমত, নতুন প্রজন্মের দাবি, রান্নাঘরের দায়িত্ব ভাগের ক্ষেত্রে নাকি কোনওদিনই সামঞ্জস্য দেখেননি তাঁরা। বরাবরই তাঁরা দেখেছেন, অফিস ফেরত পুরুষরা হাতে রিমোট নিয়ে বসার সুযোগ পান। সেই সময় তাঁদের মুখের সামনে চা কিংবা খাবারদাবারের বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব মহিলাদের। অথচ ওই মহিলাটিও হয়তো অফিস থেকে সদ্য ফিরেই হেঁশেল ঢুকেছেন। তবে তাঁর কথা ঘুণাক্ষরেও ভাবছেন না কেউ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দ্বিতীয়ত, একসময় মা-ঠাকুমারা ঘেমেনেয়ে পঞ্চব্যঞ্জন রান্না করে পুরুষের মুখের সামনে ধরতেন। সিংহভাগ পুরুষই তা শুধু খেতেন। কোনওদিনই রান্নাঘরের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার কথা ভাবেননি।

তৃতীয়ত, ছোট থেকে বহু পরিবারের মেয়েদেরই রান্না শেখার জন্য জোর করা হয়। তাকে বলা হয় বিয়ে দেওয়ার জন্য এটা শিখতেই হবে। তার ফলে ছোট থেকেই রান্নার প্রতি ঘৃণা তৈরি হয়।

চতুর্থত, রান্না যখন রোজকার দায়দায়িত্ব হয়ে যায়, তখন বহু মহিলার আর সেটি উপভোগ করেন না। কিছু একটা রান্না করে খাওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে ভাবেন। তার ফলে রান্না করা স্রেফ বোঝার মতো হয়ে দাঁড়ায়।

পঞ্চমত, রান্না খেয়ে প্রশংসা করার লোক পাওয়া যায় না অনেক সময়। তবে দোষত্রুটি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বিচার করেন বহু পুরুষ। কেউ বলেন, “রুটিটা গোল হল না”, আবার কেউ কেউ খোঁচা দেন, “তরকারিতে নুন বেশি।” এভাবে বারবার বলার ফলে মনে ক্ষোভ দানা বাঁধে। আর তা থেকে রান্নার প্রতি বিরক্তি তৈরি হয় বহু তরুণীর।

তার ফলে রান্নার মতো গুরুদায়িত্ব থেকে রেহাই পেতে চান বহু আধুনিক তরুণী। রান্নাবান্নার জন্য বাড়িতে টাকার বিনিময়ে লোক রাখার সিদ্ধান্ত নেন কেউ কেউ। কারও ক্ষেত্রে আবার হোম ডেলিভারিই ভরসা। তবে রান্নাবান্না করা যে একা মহিলাদের কাজ নয়। চাইলে পুরুষরাও করতে পারেন। সে বিষয়ে ছোট থেকেই সন্তানকে শিক্ষা দিন। তাতে আপনার অন্দরমহলের মধ্যে লিঙ্গবৈষম্য দূর হবে। সমাজ হবে আরও সুন্দর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.