BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মর্মান্তিক! মেয়েকে বিক্রির গুজবে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে খুন, যোগী রাজ্যে দু’দিনে গণপিটুনিতে মৃত ২

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 8, 2020 12:46 pm|    Updated: September 8, 2020 12:49 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) গণপিটুনি। আর সেই বেধড়ক মারে মৃত্যু হল তফসিলি সম্প্রদায়ভুক্ত এক ব্যক্তির। লকডাউনে তিনি তাঁর কিশোরী মেয়েকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে গুজব ছড়ায়। তারই ‘ফলস্বরূপ’ ওই ব্যক্তিকে পিটিয়ে  হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরপর দু’টি গণপিটুনির (Mob lynching) ঘটনায়  বিরোধীদের সমালোচনার মুখে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

মৃতের নাম সরবেশ দিবাকর। তিনি ঠেলাগাড়িতে করে মিষ্টি বিক্রি করতেন। উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরি (Mainpuri) এলাকায় ঘর ভাড়া করে কিশোরী মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। মেয়েটি স্কুলে পড়ার পাশাপাশি পরিচারিকার কাজ করত। কিন্তু লকডাউনে বাবা-মেয়ে দুজনে কাজ হারান। এরপর মেয়েকে এক আত্মীয়ের কাছে পাঠিয়ে দেন সরবেশ। কিন্তু এলাকায় গুজব ছড়ায় যে পেট চালাতে মেয়েকে তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। অভিযোগ, সেই গুজবের ভিত্তিতেই রবিবার রাতে সরবেসকে বেধড়ক মারধর করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও পুলিশ এই গুজবের ভিত্তিতে মারধরের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

[আরও পড়ুন : পুলিশের সামনেই খুনের অভিযুক্তকে পিটিয়ে মারল স্থানীয়রা, ভাইরাল মর্মান্তিক ঘটনার ভিডিও]

গোটা ঘটনার ভিডিওটি টুইটারে পোস্ট করে সমাজবাদি পার্টির নেতারা। তাতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন মিলে সরবেশকে তাঁরই বাড়ির ছাদে মারধর করছে। কখনও হাতজোড় করে আবার কখনও পা ধরে ক্ষমা চাইছে সরবেস। কিন্তু তাতেও মার থামেনি। চড়-কিল-ঘুষি চলতে থাকে। শেষপর্যন্ত মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পুলিশের দাবি, তাঁরাই সরবেশকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

[আরও পড়ুন : বিফলে সাধুর মায়ের আবেদন, পালঘর মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দিতে নারাজ মহারাষ্ট্র সরকার]

এনিয়ে সোমবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশ জানায়, ভিডিও ফুটেজ দেশে চার-পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশি। কিন্তু তাঁরা কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয়। এমনকী, তাদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধেরও রেকর্ড নেই। তবে পরপর দুটো ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলার প্রকৃত ছবি সামনে চলে এল বলে দাবি করছে বিরোধী দলগুলি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement