Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বিমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ছুরি হাতে সহযাত্রী!

একাধিক স্তরের তল্লাশির পরও কেন এমন ঘটনা উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৭, ১২:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৭, ১২:১৯

options
link
বিমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ছুরি হাতে সহযাত্রী! zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  একসময়ে বিমান ছিল ধনীদের বাহন। কিন্তু, এখন বিমানসফর অনেকটাই মধ্যবিত্তের নাগালে। ট্রেনের টিকিটের থেকে খানিকটা বেশি ভাড়া দিলেই অনায়াসে ইন্ডিগো, স্পাইসজেটের মতো সস্তার বিমানে সফর করা যায়। কিন্তু, কম পয়সায় আম আদমিকে বিমান চড়াতে গিয়ে কি নিরাপত্তা দিকটি অবহেলা করছে বিমান সংস্থাগুলি?  শুক্রবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে স্পাইসেজেটের বিমানে ছুরি নিয়ে উঠে পড়েন এক ব্যক্তি। ওই বিমানে ছিলেন এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বিমানের ভিতরে ছুরি বের করে ওই ব্যক্তি জানান, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গলদ তুলে ধরতে একাজ করেছেন তিনি।

[OMG! মাঝ সমুদ্রে টর্নেডো, তার মাঝখান দিয়েই উড়ল বিমান]

Advertisement

দিল্লি থেকে গোয়া যাওয়ার কথা ছিল স্পাইসজেটের বিমানটির। বিমানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। টেক অফ করতে তখন আর বেশি দেরি নেই। আচমকাই বিমানের এক যাত্রী ঘোষণা করেন, তাঁর ব্যাগে ছুরি রয়েছে। ছুরিটি বের করেও দেখান তিনি। ঘটনায় হকচকিয়ে যান বিমানের অন্য যাত্রীরা। দ্রুত ওই ব্যক্তিকে আটক করেন বিমানের কর্মীরা। বিমান থেকে নামিয়ে, তাঁকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর বাকি যাত্রীদের নিয়ে নির্বিঘ্নেই গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায় বিমানটি।

[মাত্র তিন মিনিটেই খতম অমরনাথ হামলার মূলচক্রী আবু ইসমাইল]

ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছে স্পাইসজেট কর্তৃপক্ষ। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, দিল্লি থেকে গোয়াগামী একটি বিমানের এক যাত্রী বিমানকর্মীদের জানান, তাঁর ব্যাগে ছুরি আছে। বিমানটি তখন বিমানবন্দরেই ছিল। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তাবাহিনীর নজরে আনেন বিমানের কর্মীরা। ওই ব্যক্তি বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। প্লেন থেকে নামিয়ে দেওয়ার পর ওই যাত্রীর কী হাল হল তা অবশ্য জানা যায়নি। নিছক নিরাপত্তার ফাঁক তুলে ধরা নাকি নাশকতার যোগ ছিল। এই প্রশ্নের উত্তর না মিললেও দিল্লি বিমানবন্দরের এই ঘটনা দেখিয়ে দিল, তল্লাশির একাধিক স্তর পেরিয়ে বিমানো ঢোকার পরও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা সবসময় প্রযোজ্য হয় না।

 

[কৃষকদের ‘পাশেই’ যোগী সরকার! ঋণ মকুব মোটে ১৯ পয়সা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.