Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Man burns wife's hand

সতীত্বের প্রমাণ পেতে স্ত্রীকে আগুনে ঠেলল যুবক, গুরুতর জখম তরুণী

পলাতক অভিযুক্ত স্বামী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২২, ১৫:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২২, ১৫:৩৫

options
link
সতীত্বের প্রমাণ পেতে স্ত্রীকে আগুনে ঠেলল যুবক, গুরুতর জখম তরুণী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ হল রামায়ণ-মহাভারতের দেশ। এখানে ভগবান রামের স্ত্রীকেও সতীত্ব প্রমাণ করতে অগ্নিপরীক্ষা দিতে হয়েছিল। সেই কথা মনে করিয়ে দিল কর্ণাটকের (Karnataka) একটি নজিরবিহীন নারী নির্যাতনের (Violence Against Women) ঘটনা। এক তরুণীকে আগুনে হাত পুড়িয়ে ‘সতীত্বের প্রমাণ’ দিতে হল। অভিযুক্ত স্বামী তরুণীকে আগুনে হাত দিতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ। ঘটনা জানাজানি হতেই পলাতক স্বামী।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি কর্ণাটকের কোলারের ভিরেনাহাল্লি গ্রামের। যুগলের বিয়ে হয় ১৪ বছর আগে। তরুণী স্ত্রীকে সন্দেহ করত অভিযুক্ত স্বামী আনন্দ। সম্প্রতি নতুন করে স্ত্রীর প্রতি সন্দেহ দানা বাঁধে আনন্দের মনে। এরপরেই সে স্ত্রীকে আগুনে হাত দিয়ে ‘সতীত্বের প্রমাণ’ দিতে বাধ্য করে। তাতেই মারাত্মক জখম হন ওই তরুণী। এই নির্যাতনের পরেও অবশ্য স্বামীর ভয়ে পুলিশে অভিযোগ জানায়নি তরুণী। পরে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ঘটনার কথা জানতে পারে পুলিশ। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আম্বেদকর সেবা সমিতির প্রেসিডেন্ট কে এম সন্দেশ বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরে খোঁজ পরে অভিযুক্ত স্বামীর। যদিও ঘটনা জানাজানি হতেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে অভিযুক্ত। তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেশের আদালতগুলিতে ঝুলে ৪ কোটি মামলা, ফের সরব প্রধান বিচারপতি]

গত বছরের একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল দেশে নারী নির্যাতন বেড়েছে ৪৬ শতাংশ। গার্হস্থ্য হিংসা থেকে ধর্ষণ, এমনকী খুন, দেশে মেয়েদের উপর সংঘটিত অপরাধের কমতি নেই। এমনকী ক’দিন আগে সকালের জলখাবারে নুন বেশি হওয়ায় এক ব্যক্তি খুন করে তার স্ত্রীকে। মহারাষ্ট্রের ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় অভিযুক্ত স্বামীকে। 

[আরও পড়ুন: চুরির চেষ্টার ‘শাস্তি’, গাছে উলটো করে ঝুলিয়ে বেধড়ক মার যুবককে, ভাইরাল ভিডিও]

সামান্য কারণে গৃহবধূকে হত্যার ঘটনা সাম্প্রতিককালে বেড়ে চলেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে বধূর স্বামীই অভিযুক্ত। শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়রাও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত হচ্ছেন। নারীকল্যাণে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির বক্তব্য, আজও সমাজিক ধারণা হল পুরুষের সেবাই মেয়েদের কাজ। তিনি যদি আদেশ না মানেন, তবে তাঁকে চরম শাস্তি পেতে হয়। মারধর তো সাধারণ ঘটনা, এমনকী হত্যাও করা হয়। এভাবে অগ্নিপরীক্ষার ঘটনা অবশ্য খুব বেশি শোনা যায় না।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.