Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Surat

শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে আজীবন জেল, রায় শুনেই বিচারককে জুতো ছুঁড়ে মারল দোষী

২০ লক্ষ টাকা জরিমানাও হয়েছে অভিযুক্তের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২১, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২১, ২১:২৪

options
link
শিশুকন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে আজীবন জেল, রায় শুনেই বিচারককে জুতো ছুঁড়ে মারল দোষী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ (Rape) করে খুন করার অভিযোগ ছিল এক যুবকের বিরুদ্ধে। এদিন সুরাতের বিশেষ আদালতের (Surat Court) বিচারক ২৭ বছরের ওই অভিযুক্তকে আজীবন কারাবাসের (Life Imprisonment) সাজা শোনায় । এরপরেই ঘটে গেল আজব কাণ্ড, রায় শুনে অনুতপ্ত হওয়ার বদলে ক্ষিপ্ত হয়ে বিচারককে সটান পায়ের চপ্পল খুলে ছুঁড়ে মারল দোষী যুবক।

সুরাতের আদালত এদিন ওই যুবককে আজীবন কারাবাসের সাজা ছাড়াও ২০ লক্ষ টাকা জরিমানাও (Compensation of Rs 20 lakh) করে। যাবতীয় তথ্য প্রমাণ যাচাই করে পকসো (Special Protection of Children from Sexual Offences) আইনে অভিযুক্ত সুজিত সাকেতকে দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক পিএল কালা (PL Kala)। অভিযুক্তের স্বাভাবিক জীবনের বাকি মেয়াদ কারাবাসের নির্দেশ দেন তিনি। যা শোনা মাত্র ভয়ংকর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সুজিত। এরপর পায়ের চপ্পল খুলে বিচারককে ছুঁড়ে মারে সে। যদিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় সুজিতের চপ্পল, সেটি ইউটনেস বক্সে গিয়ে পড়ে। সুজিতের দাবি, তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে স্কুলছাত্রীকে হোটেলে বন্দি করে লাগাতার ধর্ষণ, গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত আশিক]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রদেশের সুরাতের বাসিন্দা যুবক সুজিত সাকেতের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখে পাঁচ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন করে সে। ধর্ষিতা এক পরিযায়ী শ্রমিকের মেয়ে।

সুজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শিশুটিকে সে চকলেটের লোভ দেখিয়ে একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। এবং যথেচ্ছ অত্যাচার চালায় তার উপর। এরপর শিশুকন্যাটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সে। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনের একাধিক ধারায় মামলা হয় সুরাতের হাজিরা থানায়।

[আরও পড়ুন: নিজের মেয়েকেই ধর্ষণ বাবার! থানায় নালিশ করলেন মা

গত কয়েক মাস ধরে সেই মামলাই চলছিল সুরাতের আদালতে। ২৯ জনে সাক্ষী ও ৫৩টি তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে এদিন রায় শোনায় সুরাতের বিশেষ আদালতের বিচারক। যার পরেই ঘটে যায় কাণ্ড, বিচারকের দিকে উড়ে আসে দোষী সাব্যস্ত যুবকের চপ্পল। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.