সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আতঙ্কে ত্রস্ত গোটা দেশ। চিকিৎসক থেকে শুরু করে পুরসভার কর্মীরা পর্যন্ত আতঙ্কগ্রস্ত। এমন অবস্থায় মৃতদেহ দাহ করতে অনেককেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সংকটের এই সময়ে এক চূড়ান্ত অমানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশ। করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা মৃতদেহ জঞ্জাল ফেলার গাড়িতে করে তুলে থানায় নিয়ে গেলেন কর্পোরেশনের কর্মীরা।
[আরও পড়ুন: এবার অরুণাচল-উত্তরাখণ্ডেও থাবা চিনের, ফৌজ মোতায়েন করল ভারত]
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বলরামপুর শহরের। বুধবার স্থানীয় একটি সরকারি দপ্তরে কোনও কাজে গিয়েছিলেন মহম্মদ আনোয়ার নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু আচমকা অফিসের গেটের সামনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর তাঁর দেহ ঘিরে ভিড় জমলেও করোনার আতঙ্কে কেউ এগিয়ে আসেনি। বেশ কিছুক্ষণ পর খবর দেওয়া হয় পুরসভায় ও স্থানীয় হাসপাতালে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় একটি অ্যাম্বুল্যান্স। কিন্তু তাতে আনোয়ারের দেহ তোলা হয়নি। শেষ পর্যন্ত জঞ্জাল ফেলার ওই গাড়িটিতে তোলা হয় মৃতদেহটিকে। তারপর সেটিকে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।
এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতে দেশজুড়ে বয়ে গিয়েছে নিন্দার ঝড়। গোটা ঘটনাটিকে ঘিরে খোদ পুলিশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ওই ঘটনার তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বলরামপুর পুলিশের প্রধান দেবাঞ্জন বর্মা বলেন, করোনার মতো মহামারী নিয়ে সবার মধ্যেই আতঙ্ক রয়েছে। কিন্তু এহেন কাজ করা উচিত হয়নি। ওই কর্মীরা অমানবিক কাজ করেছেন। পুলিশ এবং কর্পোরেশনের কর্মীদের তরফে বড় ভুল হয়েছে। যদি করোনাই সন্দেহ করা হবে, তা হলে পিপিই নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। এদিকে, ঠী কী কারণে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।
[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে থুতু ফেলায় তুমুল বচসা, দিল্লিতে যুবককে পিটিয়ে খুন]
সর্বশেষ খবর
-
শাহরুখ কি আদৌ দোষী? ‘নিষিদ্ধ’ পান মশলার বিজ্ঞাপন নিয়ে তুকারামের নোটিসের জবাব তিন তারকার
-
দামি ফোন, সোনার হার কিনতে সন্তানকে লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি! দম্পতির কাণ্ডে হতবাক পুলিশও
-
ইন্ডিয়া বৈঠকে কেন গেলেন না অখিলেশ? উত্তরপ্রদেশে ভোটের আগে ‘নয়া খেলা’র জল্পনা
-
দূষণ শংসাপত্র না থাকলে জ্বালানি নয়, ‘বিষবায়ু’ নিয়ন্ত্রণে ১ অক্টোবর থেকেই কড়া নিয়ম দিল্লিতে
-
পড়ুয়াদের সঙ্গে খেয়েছিলেন মিড ডে মিল, সেই স্কুলকে পুজোর উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, মহিলা কর্মীরা পেলেন টাকা-শাড়ি