২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছেলের বউকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল এক ব্যক্তির। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পালঘর এলাকায়। সমস্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ৫০ বছর বয়সী অভিযুক্তকে দোষীসাব্যস্ত করার পরযাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন পালঘর আদালতের অ্যাডিশনাল সেশন জজ এ ইউ কদম। ঘটনাটির সময় ওই নির্যাতিতার ১৫ বছর বয়স থাকায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনও মামলা করা হয়েছিল।

[আরও পড়ুন:‘গণপিটুনি বিদেশ থেকে আমদানি হয়েছে’, বিজয়াদশমীর অনুষ্ঠানে বললেন মোহন ভাগবত ]

সহকারী সরকারি আইনজীবী উজ্বলা মোহলকার বিচারককে জানান, ২০১৫ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে দোষী ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল নির্যাতিতার। তবে তার স্বামী হোটেল ম্যানেজমেন্টের ছাত্র হওয়ায় বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির বাইরে থাকত। কাজের জন্য বাইরে বেরোতেন নির্যাতিতার শাশুড়িও। সেই সুযোগে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে ওই কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ করে তার শ্বশুর। এর জেরে কিছুদিনের মধ্যেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে মেয়েটি। কিন্তু, তাতেও ছাড় পায়নি সে। বাড়িতে কেউ না থাকলে তার উপর চড়াও হত শ্বশুর। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই তাকে ধর্ষণ করত। কিশোরীটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিত।

[আরও পড়ুন:আর্থিক প্যাকেজ দিতে নারাজ কেন্দ্র, বিএসএনএল বন্ধের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রকের!]

কিছুদিন বাদে মেয়েটি নিজের বাপের বাড়িতে যায়। তখনও তাকে হুমকি দেয় তার শ্বশুর। বাপের বাড়ির সদস্যদের কাউকে কিছু বললে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। এই বিষয়ে স্বামী ও শাশুড়িকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। উলটে তারা ওই কিশোরীকেই দোষারোপ করতে থাকে। বাধ্য হয়ে গর্ভপাত করিয়ে বাড়ির লোকেদের নিয়ে তুলিঞ্জ পুলিশ স্টেশনে যায় ওই কিশোরী। পেশায় গাড়িচালক শ্বশুরের নামে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে। এরপরই গ্রেপ্তার হয় অভিযুক্ত ব্যক্তি।আদালতের নির্দেশে এই মামলার ইন ক্যামেরা শুনানি হয়। চারবছর ধরে মামলাটির সওয়াল-জবাব চলে। সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখার পর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষীসাব্যস্ত করেন বিচারক। আর তারপরই এই ধরনের দোষীদের জন্য উদাহরণ তৈরি করতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং