Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
বন্ধ হচ্ছে বিএসএনএল

আর্থিক প্যাকেজ দিতে নারাজ কেন্দ্র, বিএসএনএল বন্ধের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রকের!

এমটিএনএলকেও বন্ধের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, দাবি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৩, ১৬:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৩, ১৬:২৪

options
link
আর্থিক প্যাকেজ দিতে নারাজ কেন্দ্র, বিএসএনএল বন্ধের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রকের! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব চেষ্টা ব্যর্থ। কেন্দ্র সরকারের অধীনস্থ টেলি কমিউনিকেশন সংস্থা বিএসএনএল বন্ধের প্রস্তাব দিল অর্থ মন্ত্রক। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম Financial Express-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রক বিএসএনলকে আর্থিক সাহায্য দিতে রাজি নয়। বরং, সংস্থাটি পুরোপুরি বন্ধের সিদ্ধান্তে তাঁরা একপ্রকার শিলমোহর দিয়ে দিয়েছে। বিএসএনএলের পাশাপাশি মহানগর টেলিফোন নিগম অর্থাৎ এমটিএনএলও বন্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছে অর্থমন্ত্রক।

[আরও পড়ুন: সাহসিকতার পুরস্কার, ৮৭ তম ‘এয়ারফোর্স ডে’র মহড়ায় নেতৃত্ব দিলেন অভিনন্দন বর্তমান]

গত কয়েক বছর ধরেই অর্থাভাবে ধুঁকছে বিএসএনএল। বেসরকারি সংস্থার চমকপ্রদ অফারের জেরে ক্রমশ বাজার হারিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা। বর্তমানে ভারত সঞ্চার নিগমের অবস্থা শোচনীয়। প্রতি মাসে আয় এবং ব্যয়ের মধ্যে বিশাল পার্থক্য হয়ে যাচ্ছে। আর্থিক সাহায্য এখনই না পেলে সংস্থা চালানো কার্যত অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রের পরামর্শও চেয়েছে ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড। অতিরিক্ত কর্মচারী, বিপুল বেতন এবং খারাপ ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কারণে অকারণে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপকেও বিএসএনএলের বর্তমান দুর্দশার জন্য জন্য দায়ী করা হচ্ছে। তাছাড়া দিনদিন গ্রাহক কমছে টেলিকম সংস্থাটির। যা আরও সমস্যা বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আপাতত কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী বিএসএনএল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সরকারের টেলিকমিউনিকেশন দপ্তরের তরফে অর্থমন্ত্রককে সুপারিশ করা হয়েছে, বিএসএনএলকে বাঁচাতে এখনই অন্তত ৭৪ হাজার কোটি টাকা সরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন। অন্যদিকে, বিএসএনএলকে যদি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে কর্মচারিদের ক্ষতিপূরণ দিতেও এই খরচের কাছাকাছি খরচ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও টেলিকম দপ্তরের দাবি, এই মুহূর্তে সংস্থা বন্ধ করতে গেলে খরচ হবে ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রকের হিসেব বলছে, বিএসএনএলের কর্মীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ যে টাকা খরচের কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে তার চেয়ে অনেকটাই কম খরচ হবে। স্বাভাবিকভাবেই ভগ্ন সংস্থাকে না বাঁচিয়ে তাঁকে বন্ধ করে দেওয়ায় শ্রেয় মনে করছে অর্থমন্ত্রক।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে নিকেশ জঙ্গি, বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক]

যাঁরা বিএসএনএলের স্থায়ী কর্মী, তাদের সরকারের তরফে জরিমানা দিয়ে স্বেচ্ছাবসরের প্রস্তাব দেওয়া হবে। এবং যাদের যাদের অন্য সরকারি সংস্থায় চাকরি দেওয়া সম্ভব, তাদের অন্য সংস্থায় চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। এই মুহূর্তে বিএসএনএলের কর্মী সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। বিএসএনএলের পাশাপাশি এমটিএনএলের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্তত এমনটাই দাবি করা হয়েছে Financial Express-এর প্রতিবেদনে। যদিও, অর্থমন্ত্রকের তরফে এ বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.