Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nagpur

পা টিপতে রাজি না হওয়ায় এলোপাথাড়ি লাথি-ঘুসি! গুণধর ছেলের মারে মৃত বৃদ্ধ বাবা

ঘটনার তদন্তে নেমে গুণধর পুত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৪, ১০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২৪, ১০:৪৬

options
link
পা টিপতে রাজি না হওয়ায় এলোপাথাড়ি লাথি-ঘুসি! গুণধর ছেলের মারে মৃত বৃদ্ধ বাবা zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও কাজ নেই, সারা দিন বাড়ি বসে থাকা বৃদ্ধ বাবাকে পা টেপার নির্দেশ দিয়েছিল ছেলে। সে প্রস্তাবে রাজি হননি বাবা। যার জেরে এলোপাথাড়ি মেরে ৬২ বছর বয়সি বাবাকে খুন করল করল গুণধর ছেলে। চাঞ্চল্যকর এমনই ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পুনেতে। ঘটনার তদন্তে নেমে ৩৩ বছর বয়সি অভিযুক্ত কুশল ওরফে ইঙ্গা শেন্ডেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনের নবাবপুরা এলাকায় বাবা দত্তাত্রেয় শেন্ডের সঙ্গে থাকত কুশল। শনিবার বাবা ও ছেলে দুজনেই বাড়িতে ছিলেন। সেই সময় বাবাকে পা টিপে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত কুশল। তবে কুশলের প্রস্তাবে রাজি হননি তাঁর বাবা। এই ঘটনায় বাবার উপর ক্ষেপে ওঠে ছেলে। বৃদ্ধের বুক, পেট, মাথা লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কিল-চড়-ঘুসি মারতে থাকে অভিযুক্ত। ঘটনার সময় বৃদ্ধের বড় ছেলে প্রণব তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন, যদিও কুশল তাঁকেও মারার হুমকি দেয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘অবিলম্বে কড়া আইন আনুন’, RG Kar কাণ্ডে মোদিকে চিঠি পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত ৭০ চিকিৎসকের]

ওই অবস্থায় বাবাকে বাঁচাতে প্রতিবেশিদের সাহায্য নিতে যায় প্রণব। প্রতিবেশীরা এসে দেখেন ছোট ছেলের মারে গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছেন বাবা। ওই অবস্থায় বাবাকে নিয়ে কোনওমতে হাসপাতালে ছোটেন প্রণব। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাবার মৃত্যুর পর ভাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানান প্রণব। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে শনিবার সন্ধ্যে নাগাদ অভিযুক্ত কুশলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে এক দিনের জন্য কুশলকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

[আরও পড়ুন: সাংসদ হয়েছেন ‘জঙ্গি’ রশিদ, কাশ্মীরে এবার ভোটের লড়াইয়ে তাঁরই ভাই খুরশিদ!]

এদিকে গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত প্রতিবেশীরা। এমন তুচ্ছ ঘটনায় ছেলে যে বাবাকে খুন করে দিতে পারে তা ভাবতেই পারছেন না এলাকাবাসী। স্থানীয়দের দাবি, এমনিতেই এলাকায় যথেষ্ট দুর্নাম ছিল অভিযুক্ত কুশলের। নানা ধরনের দুষ্কর্মে জড়িত ছিল সে। বাড়িতে তাঁকে নিয়ে সর্বদা অশান্তি লেগে থাকত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.