Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বক্স খাটের ভিতর লুকানো মহিলার পচাগলা দেহ, উপরে নিশ্চিন্ত ঘুম ব্যক্তির

বক্স খুলতেই শিউরে ওঠেন ব্যক্তি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০১৯, ১০:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০১৯, ১০:৪৩

options
link
বক্স খাটের ভিতর লুকানো মহিলার পচাগলা দেহ, উপরে নিশ্চিন্ত ঘুম ব্যক্তির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অন্যান্য দিনের মতোই গত পাঁচ দিনও রাতে নিজের বক্স খাটেই  ঘুমিয়েছিলেন দীনেশ কুমার নামের এক ব্যক্তি। কিন্তু পরে জানতে পারেন, রাতের পর রাত যে খাটে তিনি নিশ্চিন্ত ঘুম দিয়েছেন, সেই বিছানার কয়েক ইঞ্চি নিচেই লুকানো ছিল একটি লাশ! নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পর এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হল বক্স খাটের ভিতর থেকে। হাড়হিম করা এমন ঘটনা গুরুগ্রামের জল বিহারের সেক্টর ৪৬-এর।

[বক্তৃতায় আনাড়ি, সাধারণতন্ত্র দিবসের ভাষণ কালেক্টরকে দিয়ে পড়ালেন মন্ত্রী]

পেশায় চা ব্যবসায়ী দীনেশ কাজের সূত্রে জল বিহারের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। গত সোমবার গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরেছিলেন। এরপর ভাড়া বাড়িতে খানিকটা বিশ্রাম নিয়ে কাজে বেরিয়ে যান। কিন্তু বাড়ি ফিরতেই নাকে আসে দুর্গন্ধ। যতদিন যায়, আরও তীব্র হয়ে ওঠে সেই গন্ধ। দীনেশবাবু ভেবেছিলেন, ঘরে আলো-বাতাস না ঢোকার কারণে হয়তো স্যাঁতস্যাতে গন্ধ হয়েছে। কিন্তু গত শনিবার সকালে সেই গন্ধ এমনই অসহ্যকর হয়ে ওঠে যে নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। বোঝার চেষ্টা করেন, গন্ধটা ঠিক কোন দিক থেকে আসছে। তখনই বোঝেন তিনি যেখানে রোজ শুয়ে থাকেন সেই খাটের ভিতরই গন্ধের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। আর দেরি না করে বক্স খাটটি খোলেন দীনেশ কুমার। এবং খুলতেই শিউরে ওঠেন। সেখানে পড়ে রয়েছে তাঁরই গাড়ির চালকের স্ত্রীর দেহ। বিস্ময় কাটিয়ে সম্বিত ফিরে পেতেই পুলিশে খবর দেন তিনি।

Advertisement

[ভাতা না পেয়ে সঙ্গী অনটন, ভেজা চোখে আক্ষেপ স্বাধীনতা সংগ্রামীর মেয়ের]

পুলিশ এসে পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান ধারণা, গত সোমবারই বছর তিরিশের ববিতাকে খুন করে  দেহ বক্স খাটে লুকিয়ে পালিয়েছে দীনেশবাবুর চালক রাজেশ কুমার। কারণ সেদিন থেকেই তার কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ববিতার বাবা পুলিশকে জানান, তাঁর মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সন্দেহ ছিল, ববিতা হয়তো পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। সেই কারণে তাঁকে মোবাইল ব্যবহার করতে দেওয়া হত না। এ নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা হত। একবার ববিতার ফোনও ভেঙে দিয়েছিল রাজেশ। গত সোমবার আগের পক্ষের পাঁচ সন্তানকে বাবার বাড়ি রেখে আসেন ববিতা। তাঁর বাবা ভেবেছিলেন স্বামীর সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাবে ববিতা। তাই মেয়ে যে নিখোঁজ, তা বুঝতেও পারেননি তিনি। এদিকে চালকের হাতে চাবি দিয়েই গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলেন দীনেশ। আর তার মধ্যেই এমন নারকীয় ঘটনা ঘটায় সে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সেক্টর ৫০ থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.