Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Murder

অন্য সম্পর্কে জড়িয়েছে প্রেমিকা! গলা কেটে ভিডিওয় প্রেমিক বলল, ‘বাবু, স্বর্গে দেখা হবে’

পুলিশ খুঁজছে নৃশংস এক 'প্রেমিক'কে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২২, ০৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২২, ০৯:৫৩

options
link
অন্য সম্পর্কে জড়িয়েছে প্রেমিকা! গলা কেটে ভিডিওয় প্রেমিক বলল, ‘বাবু, স্বর্গে দেখা হবে’ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেমিকার দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল সিরিয়াল কিলার আফতাব। তার হাড়হিম অপরাধ নিয়ে আলোড়ন দেশজুড়ে। এর মধ্যেই আরেক নৃশংস ‘প্রেমিকে’র সন্ধান মিলল। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) এক যুবক প্রেমিকার গলা কেটে তাঁকে খুন (Murder) করে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করল। সেই সঙ্গে পুলিশকে চ্যালেঞ্জও করল তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য। অভিজিৎ পতিদার নামের এই যুবকের ‘কীর্তি’ ঘিরেও হতবাক সকলে।

২৫ বছরের শিল্পা ঝাড়িয়া ছিলেন অভিজিতের প্রেমিকা। বিহারের জবলপুরের মেখলা রিসর্টে তিনি দেখা করতে এসেছিলেন প্রেমিকের সঙ্গে। ভাবতেই পারেননি এর পরিণাম কী হতে পারে। শিল্পার গলা কেটে খুন করেছে অভিজিৎ। তারপর সে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও পোস্ট করেছে। যার মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে কম্বলে ঢাকা শিল্পার দেহের সামনে সে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তারপর ধীরে ধীরে কম্বল সরাতেই দৃশ্যমান হয় শিল্পার রক্তাক্ত গলা। অভিজৎকে বলতে শোনা যায়, ”প্রতারণা করা উচিত নয়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘গুজরাট আমার তৈরি’, মোদির মন্তব্যে চরম অসন্তোষ গুজরাটে, সামাল দিতে ময়দানে শাহ]

অন্য একটি ভিডিওয় সে নিজেকে ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছে। সেই সঙ্গে জানিয়েছে তার ব্যবসার পার্টনার জিতেন্দ্র কুমারের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন শিল্পা। তারই ‘শাস্তি’ দিল সে। জিতেন্দ্র তার থেকে ১২ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়েছে বলেও দাবি অভিজিতের। আরেকটি পোস্টে তাকে সদ্যমৃত প্রেমিকার দেহের দিকে তাকিয়ে বলতে শোনা যায়, ”বাবু, আবার স্বর্গে দেখা হবে।”

খুন সম্পর্কে বিশদে বলতে গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে দেখা গিয়েছে, ঘটনার আগের দিন রাতেই রিসর্টে চলে এসেছিল অভিজিৎ। রাতে সে একাই ছিল সেখানে। পরদিন শিল্পা তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। তাঁরা খাবারও অর্ডার দেন। কিন্তু এরই ঘণ্টাখানেক পরে রুমের দরজা লক করে সেখান থেকে সরে পড়ে অভিযুক্ত। পরে সন্দেহ হওয়ায় দরজা ভাঙেন রিসর্টের কর্মীরা। তখনই দেখা যায় বিছানায় শোয়ানো রয়েছে শিল্পা ঝাড়িয়ার রক্তাক্ত দেহ।

[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের আগে পাঁশকুড়ার সমবায় নির্বাচনে বিপুল জয় তৃণমূলের, বহু পিছনে বাম-পদ্ম]

ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে জিতেন্দ্রকে। সেই সঙ্গে আরেক সন্দেহভাজন সুমিত প্যাটেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু আসল কালপ্রিট এখনও অধরা। গত ৮ নভেম্বর শিল্পার মৃতদেহ খুঁজে পান রিসর্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারপর থেকে অভিজিৎকে খুঁজে চললেও এখনও পলাতক সে। তবে পুলিশ মধ্যপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্র বিভিন্ন জায়গায় তার সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.