Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

জানেন, কেন নিজের সহকর্মীকে খুন করল ক্যানসার আক্রান্ত এই যুবক?

কারণ জানলে অবাক হয়ে যাবেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১২:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৯, ১২:৫০

options
link
জানেন, কেন নিজের সহকর্মীকে খুন করল ক্যানসার আক্রান্ত এই যুবক? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্কুল বা কলেজে বন্ধুদের পাল্লায় পড়েই সিগারেট খাওয়া শুরু করে বেশিরভাগ যুবক। আবার চাকরি জীবনে প্রবেশ করার পর কোনও সহকর্মীকে দেখে সুখটানে আসক্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। পরবর্তীকালে সেই নেশা ডেকে আনে ক্যানসারের মতো মারণ রোগকে। তখন আর কিছু করার থাকে না। তেমনটাই ঘটেছিল মুস্তাকিন আহমেদ নামে বছর পঁচিশের এক যুবকের ক্ষেত্রে। এক সহকর্মীর সঙ্গে মিশতে গিয়ে ধুমপানে আসক্ত হয়ে পড়ে সে। গলায় ক্যানসার ধরা পড়ার পর, সেই সহকর্মীকেই গুলি করে খুন করল মুস্তাকিন। তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

[৩৬টি ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক দম্পতি!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, পশ্চিম দিল্লির উত্তম নগরের একটি রেস্তরাঁয় রাধুনি হিসেবে কাজ করত মুস্তাফিন আহমেদ। সেখানে তার সঙ্গে আলাপ হয় ইনায়েত নামে এক যুবকের। একই রেস্তোরাঁয় কাজ করার সুবাদে অল্পদিনের মধ্যে দু’জনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বন্ধু ইনায়েতের পাল্লায় পড়ে ধুমপান করতে শুরু করে মুস্তাকিন। দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লির ডিসিপি শিবেশ সিং বলেন, ‘কালত্রুমে মুস্তাকিনের গলায় সংক্রমণ হয়। মুস্তাকিনের দাবি, চিকিৎসকরা তাকে বলেছে, অতিরিক্ত ধুমপানের কারণে গলায় ক্যানসার হয়েছে।’ সিগারেটের নেশা ধরানোর জন্য ইনায়েতকে দায়ী করে মুস্তাকিন। এই নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে মনোমালিন্য হয়। আর এই মানসিক টানাপোড়েনের প্রভাব পড়ে কাজে। মুস্তাকিনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেয় রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ। উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় গ্রামের বাড়িতে ফিরে যায় সে। সেখানে বসেই ইনায়েতকে খুন করার পরিকল্পনা করে মুস্তাকিন। একটি দেশি পিস্তলও কেনে। গ্রামেই পিস্তল নিয়ে গুলি চালানোর অনুশীলন শুরু হয়। দিন কয়েক আগে ফের দিল্লিতে আসে মুস্তাকিন। পশ্চিম দিল্লির উত্তমনগরের রেস্তরাঁয় গিয়ে ইনায়েতকে বরখাস্ত করার দাবি জানায়। কিন্তু, রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ইনায়েতকে বরখাস্ত করতে রাজি ছিল না। বচসা চলাকালীন ইনায়েতকে গুলি করে পালিয়ে যায় মুস্তাকিন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ইনায়েতকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

[এক মাসে ৫২টি শিশুর মৃত্যু, অপুষ্টির কারণ দেখিয়ে দায় এড়াল সরকারি হাসপাতাল]

শুক্রবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিল্লির উত্তমনগর থেকে মুস্তাকিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, মুস্তাকিন ঠিকই করে নিয়েছিল, যে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ যদি ইনায়েতকে বরখাস্ত করতে রাজি না হয়, তাহলে তাঁকে খুন করবে সে। তাই একটি গুলিভরা পিস্তল নিয়ে রেস্তরাঁয় গিয়েছিল সে।

[ডোকলামের মতো সীমান্ত সমস্যা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে: বিপিন রাওয়াত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.