Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
মনমোহন সিং নাগরিকত্ব সংশোধনী চেয়েছিলেন

CAA’র পক্ষে সওয়াল করেছিলেন মনমোহন! ভিডিও টুইট করে দাবি বিজেপির

কংগ্রেসের বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯, ১৫:৪৭

options
link
CAA’র পক্ষে সওয়াল করেছিলেন মনমোহন! ভিডিও টুইট করে দাবি বিজেপির zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করতে চেয়েছিলেন। ২০০৩ সালে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা হিসেবে এ নিয়ে সংসদে সরবও হয়েছিলেন তিনি। সংসদে দাঁড়িয়ে এ বিষয়ে মনমোহন সিংয়ের বক্তব্য পেশের একটি ভিডিও টুইট করে এমনই দাবি করেছে বিজেপি। নাগরিকত্ব (সংশোধিত) আইন নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদের সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাঁদের পাল থেকে হাওয়া কাড়তেই বিজেপির এই চাল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

গত সপ্তাহেই সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়েছে নাগরিকত্ব (সংশোধি্ত) বিল। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের স্বাক্ষরের পর তা আইনেও পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই বিতর্কিত আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দেশ জুড়ে বিক্ষোভ চলছে। এই আইনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। বৃহস্পতিবার কলকাতা, দিল্লি, মু্ম্বই, বেঙ্গালুরু-সহ ১০টি শহরে নাগরিকত্ব (সংশোধিত)আইনের(CAA)বিরুদ্ধে পথে নামেন তাঁরা। কিন্তু তার আগেই দেশজুড়ে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিজেপির আইটি সেলের তরফে ভিডিওটি টুইট করা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘কোনও হিন্দুরাষ্ট্র নেই তাই CAA জরুরি’, বললেন নীতীন গড়করি]

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ২০০৩ সালে রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা মনমোহন সিং বলেছেন, “প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে আসা শরনার্থীদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। নাগরিকত্ব আইন বদল হলেই সেটা সম্ভব হবে।” শরনার্থীদের দেশের নাগরিকত্ব দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেন তিনি। ভিডিওতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “দেশভাগের পর থেকেই বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। পরিস্থিতির চাপে তাঁরা আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মানবিকতার খাতিরে এই মানুষগুলিকে আশ্রয় দেওয়ার কথা আমাদের ভাবা দরকার। এবিষয় আমাদের আরও উদারমনস্ক হওয়া দরকার।” পরে তৎকালীন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনাকে অনুরোধ করব এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়ার। পাকিস্তানের সংখ্যালঘুরাও অত্যাচারিত হচ্ছেন। তাঁদের কথাও ভেবে দেখা হোক।”

 

[আরও পড়ুন : ‘পদ্ম তো পাঁকেই ফোটে’, বিজেপিকে আক্রমণ আদিত্য ঠাকরের]

বৃহস্পতিবার সকালে এই ভিডিওটি টুইট করেন বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি সেলের আধিকারিক অমিত মালব্য বলেন, “২০০৩ সালে সংসদে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের নেতা প্রতিবেশী দেশে অত্যাচারিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন।” এরপরই বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন তুলেছে, কংগ্রেস একসময় নাগরিকত্ব সংশোধনের দাবি জানিয়েছিলেন। তাহলে এখন কেন তাঁরা আপত্তি করছে? বলাই বাহুল্য, কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা নিয়ে পাল্টা আন্দোলনে নামতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.