BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অবশেষে গান্ধীদের কাছে ‘সম্মান’ পেলেন নরসিমা রাও, প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রণব-মনমোহনও

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 25, 2020 1:15 pm|    Updated: July 25, 2020 1:15 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা (P V Narasimha Rao) রাওয়ের জন্মশতবর্ষ উদযাপনে উদ্যোগী হওয়ায় তেলেঙ্গানা প্রদেশ কংগ্রেসকে অভিনন্দন বার্তা পাঠালেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi ) ও সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তেলেঙ্গানা রাজ্যের জন্মের বহু পূর্বে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে জন্মেছিলেন রাও। সোনিয়া-রাহুলের চিঠি এই কারণেই রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, যে রাওয়ের সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সংঘাত সর্বজনবিদিত। অভিনন্দন বার্তায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর যেভাবে প্রশংসা তাঁরা করেছেন, তা বিরল।

Rao

১৯৯১ সালে রাও প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকে পুরো নব্বইয়ের দশক জুড়েই তাঁর সঙ্গে গান্ধী পরিবারের নানা ইস্যুতে সংঘাত বেঁধেছে। তিনিই গান্ধী-নেহরু পরিবারের বাইরে কংগ্রেসের প্রথম নেতা, যিনি প্রধানমন্ত্রী পদে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছিলেন। ১৯২১ সালে ২৮ জুন জন্মগ্রহণ করেছিলেন রাও। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচটা বছর মোটেই সহজ ছিল না। সমালোচকরা এখনও বলে থাকেন, দলের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণেই ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেস হেরে গিয়েছিল। যায় দায় চাপানো হয়েছিল রাওয়ের উপরেই। তাঁর সময়েই অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধংসের ঘটনা ঘটে। অনেকেই বলে থাকেন, রাও ইচ্ছা করলেই সেই ঘটনা আটকাতে পারতেন।

[আরও পড়ুন: ‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেনে রেলের রোজগার ৪২৯ কোটি! ‘বিপদের দিনে মুনাফা’, সরব রাহুল]

সোনিয়া গান্ধী তাঁর বার্তায় লিখেছেন, “দীর্ঘ সময় রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে কাজ করার পর তিনি এমন একটা সময় প্রধানমন্ত্রীর পদে বসেন, যখন দেশে গভীর অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাঁর নেতৃত্বে দেশে অনেক চ্যালেঞ্জের সাফল্যের সঙ্গে মেকাবিলা করতে পেরেছে। তাঁর সময়েই ১৯৯১ সালের ২৪ জুলাই কেন্দ্রীয় বাজেট থেকে দেশের অর্থনৈতিক পালাবদলের সূচনা হয়েছিল।” এই প্রথম সোনিয়া প্রকাশ্যে রাওয়ের প্রশংসা করলেন। রাহুল গান্ধী তাঁর বার্তায় লিখেছেন, ‘অর্থনৈতিক রূপান্তরে এক সাহসী নতুন পথের নতুন যুগের সূচনার ক্ষেত্রে পিভি নরসিমা রাও এবং মনমোহন সিং (Manmohan Singh) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।’ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আবার তাঁকেই দেশের ‘অর্থনৈতিক সংস্কারের জনক’ বলে অবিহিত করলেন। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় বলছিলেন, নরসিমা রাও এমন কিছু কাজ করার ক্ষমতা রাখতেন যা কিনা প্রাথমিকভাবে দেখে অসম্ভব মনে হত।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী রাও, এবং তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের উদ্যোগে আমদানি শুল্ক হ্রাস, কম কর, বেশি বেশি বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে উদার অর্থনীতির সূচনা করেছিলেন। গত শতাব্দীর শেষে যার ফল মিলেছে, দেশের বৃদ্ধি হয়েছে রকেটের গতিতে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement