Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Chhattisgarh

নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে ছত্তিশগড়ে খতম মাওবাদী, ‘শাহী ডেডলাইনে’র বাকি আর ২ দিন

‘লাল সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময়সীমার ২ দিন আগেই ছত্তিশগড়ে বিরাট অভিযান চালালো নিরাপত্তাবাহিনী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২৬, ১৯:৩৫

options
link
নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে ছত্তিশগড়ে খতম মাওবাদী, ‘শাহী ডেডলাইনে’র বাকি আর ২ দিন zoom
আইইডি বিস্ফোরণে ৩ জওয়ানের মৃত্যু ছত্তিশগড়ে।

‘লাল সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময়সীমার ২ দিন আগেই ছত্তিশগড়ে বিরাট অভিযান চালালো নিরাপত্তাবাহিনী। সুকমায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল এক মাওবাদীর। জানা গিয়েছে, মৃত ওই মাওবাদী কমান্ডারের নাম মুচকি কৈলাস। তাঁর মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ টাকা।

জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার সুকমার জঙ্গল এলাকায় অভিযানে নামে নিরাপত্তাবাহিনী। জঙ্গল ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চলাকালীন রবিবার সকালে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই। দীর্ঘক্ষণ দুই তরফের মধ্যে গুলির লড়াই চলার পর এক মাওবাদী কমান্ডের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সুকমা জেলার পুলিশ সুপার কিরণ চাবন বলেন, ”মৃত মাওবাদীর পরিচয় জানা গিয়েছে। তিনি মুচাকি কৈলাস। ইনি ৩১ নম্বর প্লাটুনের সেকশন কমান্ডার ছিলেন। নিরাপত্তাবাহিনীর উপর একাধিক হামলা, সাধারণ নাগরিককে খুন ও বহু আইইডি বিস্ফোরণের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এই মাওবাদীর মাথার দাম ছিল ৫ লক্ষ টাকা।” এই অভিযানের পর মৃত মাওবাদীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র।

Advertisement

৩১ নম্বর প্লাটুনের সেকশন কমান্ডার ছিলেন মাওবাদী মুচকি কৈলাস। নিরাপত্তাবাহিনীর উপর একাধিক হামলা, সাধারণ নাগরিককে খুন ও বহু আইইডি বিস্ফোরণের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, দেশকে মাওবাদী মুক্ত করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সেই সময়সীমা স্মরণ করিয়ে শাহ বলেন, “দেশের ১২টি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মাওবাদীরা। আমরা এই মাওবাদকে সম্পূর্ণ নিকেশ করার কথা বলেছিলাম। অবশ্যই এই কাজ সহজ ছিল না। মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আমরা যে এত বড় কাজ শেষ করতে পারব সত্যিই এটা কল্পনা করতে পারিনি। আমি নিরাপত্তাবাহিনীর কাজের নিরিখেই বলতে পারি, ৩১ মার্চের মধ্যেই আমরা দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেব।”

গত কয়েকমাসে মাও-বিরোধী অভিযানের দিকে যদি নজর রাখা যায়, তবে দেখা যাবে নিরপত্তারক্ষীদের লাগাতার অভিযানে পিছু হটেছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা-সহ দেশের মাও অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে হাজার হাজার মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। যারা অস্ত্র ছাড়েননি নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। তবে শুধু মাওবাদীদের মৃত্যু নয়, মাওবাদীদের পালটা জবাবে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.