Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Assam

অসমে ভোটপ্রচারে যোগী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে একঝলক দেখতে উন্মুখ জনতা

অসমের তালপাতার টুপি 'জাপি' পরে অসমিয়া ঢোল বাজালেন যোগী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০০:১৮

options
link
অসমে ভোটপ্রচারে যোগী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে একঝলক দেখতে উন্মুখ জনতা zoom
যোগী আদিত্যনাথ। নিজস্ব চিত্র

ভোটমুখী অসমে গিয়ে প্রবল জনসমর্থন পেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁকে ঘিরে জনসাধারণের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনা। বরছলার সমাবেশে বিরাট জনসমাগম হয়েছিল। যোগীকে একঝলক দেখতে বহু যুবক যানবাহন ও গাছের উপরে উঠে পড়েন। যোগীও হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে অভিবাদন জানান।

এদিন বরছলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ঋতু বরণ শর্মার সমর্থনে আয়োজিত এক জনসভায় যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, “কংগ্রেস চিরকাল অনুপ্রবেশ ও দাঙ্গাকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। বিজেপিই এই ধরনের অপশক্তিকে তাড়িয়ে ছেড়েছে। অতীতে অনুপ্রবেশকারীরা যুবসমাজের অধিকার হরণ করার পাশাপাশি অসমের জনতার জন্য বরাদ্দকৃত রেশন আত্মসাৎ করত। কিন্তু এখন ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিটি নাগরিক যেন তাদের প্রাপ্য অধিকারটুকু দিতে পেরেছে।” ​​

Advertisement

বরছলার সমাবেশে বিরাট জনসমাগম হয়েছিল। যোগীকে একঝলক দেখতে বহু যুবক যানবাহন ও গাছের উপরে উঠে পড়েন। যোগীও হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে অভিবাদন জানান।

পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “অসমের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সমৃদ্ধশালী। অতীতে কৃষক সুরক্ষা ও বিদেশি আগ্রাসন প্রতিরোধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসও রয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস ইউডিএফ-এর সঙ্গে জোট বেঁধে রাজ্যে এক অস্থিরতার সৃষ্টি করেছিল। ওদের পারস্পরিক গোপন বোঝাপড়ার কারণেই অসমের নিজস্ব পরিচয়, ভূমি এবং মর্যাদা এক বিপন্নতার মুখে পড়েছিল।”

এদিন যোগীর মুখে শোনা যায় বিজেপি সরকারের প্রবল প্রশস্তি। তিনি বলেন, “গত এক দশকে সরকারি প্রকল্পগুলি কোনও রকম বৈষম্য ছাড়াই দরিদ্র মানুষের কাছে পৌঁছেছে। আগে অনুপ্রবেশকারীরা দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত রেশনে ভাগ বসাত, কিন্তু এখন মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। পাশাপাশি উজ্জ্বলা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, আবাসন প্রকল্প এবং কর্মসংস্থানের সুযোগের মতো বিভিন্ন প্রকল্প থেকেও উপকৃত হচ্ছেন। চা বাগানের শ্রমিক, কারিগর এবং যুবকদের জন্যও বিশেষ প্যাকেজ আনা হয়েছে।”

সেই সঙ্গেই উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর মুখে। তিনি বলেন, অতীতে সেখানে দাঙ্গা ও কারফিউ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু গত ৯ বছরে সেসব অতীত হয়ে গিয়েছে। তিনি ঘোষণা করেন উত্তরপ্রদেশ এখন সন্ত্রাসবাদ, নকশাল এবং বিচ্ছিন্নতাবাদমুক্ত। উল্লেখ করেন অযোধ্যার রামমন্দিরের কথাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.