Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
namaz in temple

মথুরার মন্দিরে নমাজ পড়ার জের, FIR চার ব্যক্তির নামে

অভিযুক্তরা দিল্লির একটি সংগঠনের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২০, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২০, ১৬:০৯

options
link
মথুরার মন্দিরে নমাজ পড়ার জের, FIR চার ব্যক্তির নামে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মথুরার একটি মন্দিরে নমাজ পড়ার জেরে প্রবল উত্তেজনা ছড়াল। এর ফলে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি-সহ চার জনের এফআইআর দায়ের হয়েছে। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ মথুরা (Mathura)’র নন্দগাঁও এলাকার নন্দ বাবা মন্দিরে বিনা অনুমতিতে নমাজ পড়েন ফইজল খান ও চাঁদ মহম্মদ নামে দুই ব্যক্তি। আর তাঁদের নমাজ পড়ার ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন অলোক রতন ও নীলেশ গুপ্তা। আর তারপরই শুরু হয় বিতর্ক। শেষ পর্যন্ত রবিবার রাতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুকেশ গোস্বামী, শিবহরি গোস্বামী ও কানহা নামে তিন ব্যক্তি ওই চারজনের নামে থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাহায্যের নামে আর্থিক প্রতারণা! ইউটিউবারের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ ‘বাবা কা ধাবা’র মালিক]

ওই এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘চার জন অভিযুক্ত দিল্লির একটি সংগঠন ‘খুদাই খিদমতগার (Khudai Khidmatgar)’-এর সদস্য। গত ২৯ অক্টোবর তাঁরা বিনা অনুমতিতে নন্দগাঁও এলাকার ওই মন্দিরে নমাজ পড়েছেন। তাঁদের এই আচরণের ফলে হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। আমাদের আশঙ্কা এই ধরনের ছবির অপব্যবহার করা হতে পারে। এই ঘটনার পিছনে বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য করা হচ্ছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখতে উচিত। আমাদের অনুমান, সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়ানোর জন্যই এই কাজ করা হয়েছে।’

পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতে তিন ব্যক্তি এই বিষয়ে একটি এফআইআর দায়ের করেছেন। তার ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় ওই মন্দির সংলগ্ন এলাকায় পুলিশকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির তৈরির অনুমতি মেলার পরেই মথুরা ও কাশীর প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের তরফে সেসময় স্লোগান তোলা হয়েছিল, অযোধ্যা তো ঝাঁকি হ্যায়, আভি কাশী-মথুরা বাকি হ্যায়। তাদের ইঙ্গিত ছিল, মথুরা ও কাশীর বিতর্কিত জমিতে থাকা মসজিদগুলির উপরে। কিন্তু, সেখানে কিছু হওয়ার আগেই মথুরার নন্দ বাবা মন্দিরে নমাজ পড়ার ঘটনা নতুন বিতর্ক তৈরি করল।

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, আইন আনছে রাজস্থান সরকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.