Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ভুবনেশ্বর থেকে নিখোঁজ কাশ্মীরি এমবিবিএস ছাত্র, জঙ্গি যোগ দেখছে পুলিশ

নিখোঁজ ছাত্রের মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন ছিল কলকাতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৩৩

options
link
ভুবনেশ্বর থেকে নিখোঁজ কাশ্মীরি এমবিবিএস ছাত্র, জঙ্গি যোগ দেখছে পুলিশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কভুবনেশ্বর থেকে নিখোঁজ কাশ্মীরি এমবিবিএস ছাত্রের সঙ্গে জঙ্গি যোগের  সূত্র খুঁজে পেল পুলিশ। ছাত্রের নাম সুহাইল আইজাজ কাটারিয়া(২৩)। বাড়ি উত্তর কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায়। ভুবনেশ্বরের এইমস থেকে এমবিবিএস করছেন সুহাইল। ২০১৬ থেকেই তিনি ভুবনেশ্বরে পাঠরত। গত ন’তারিখ থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়ির লোকজনও তাঁর হদিশ জানে না। বন্ধুরা জানে না সুহাইল কোথায়। তবে তাঁর মোবাইলের শেষ টাওয়ার লোকেশন ছিল কলকাতা। তাই সুহাইলকে খুঁজতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ওড়িশা পুলিশের একটি দল।

[জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ দুই পুলিশকর্মী, নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধের আতঙ্ক]

এদিকে ওই ছাত্রের ঘর থেকে সন্দেহ জনক চিঠি খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। সেই চিঠিতে বেশ কিছু সন্দেহজনক শব্দ রয়েছে। যার সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। চিঠির এক জায়গায় ‘কুইট’ শব্দটি লিখেছেন সুহাইল। গত নয় তারিখের আগে বন্ধুদের তেমন কিছুই জানাননি। তবে বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষে কয়েকদিনের জন্য কাশ্মীর যাচ্ছেন জানিয়েছিলেন। নয় তারিখে গিয়ে ১৬-১৭ তারিখের মধ্যে ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। ১৭ তারিখ পেরিয়ে গেলেও সুহাইল ফেরেননি। তঁর চার চারটি মোবাইল নম্বর ছিল বন্ধুদের কাছে। কোনওটিতে ফোন করে সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রত্যেকটি নম্বর বন্ধের সংকেত শুনিয়েছে। তখন বাধ্য হয়েই তাঁর বাড়িতে খবর পাঠায় বন্ধুরা।

Advertisement

অন্যদিকে সুহাইলের বাবা আইজাজ আহমেদ কাটারিয়া জানিয়েছেন, ছয় ফেব্রুয়ারি সুহাইল তাঁকে ফোন করে কিছু টাকা চেয়েছিলেন। পরের দিন তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু নয় তারিখের পর বাবা মাও ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। ভেবেছিলেন পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত আছে। তাই হয়তো সময়মতো ফোন করে উঠতে পারছে না। কিন্তু ২০ তারিখ পর্যন্ত ছেলের খবর না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন তাঁরা। ছেলের কি হয়েছে দেখতে, এরপর ভুবনেশ্বরে রওনা হয়ে যান। এখানে পৌঁছেও সুহাইলের কোনও সংবাদ তাঁরা পাননি। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন বিয়ের নাম করে বাড়ি গিয়েছিল ছেলে। তবে তাঁদের বাড়িতে কোনও বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল না। এরপরেই পুলিশে নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমেই সুহাইলের ঘরে তল্লাশি চালায়। সেখানে একটি চিঠিতে বেশ কিছু সন্দেহজনক শব্দ দেখতে পায়। তার সঙ্গে কুইট শব্দটিও লেখা ছিল।

[‘নোট বাতিলের ১ ঘণ্টা আগে পিএনবিতে ৯০ কোটি টাকা জমা দেন নীরব’]

এই প্রসঙ্গে ওড়িশার ডিজিপি রাজেন্দ্র প্রসাদ শর্মা জানিয়েছেন, নিখোঁজ ছাত্রের ফোন নম্বরের শেষ টাওয়ার লোকেশন ছিল কলকাতা। তাই সোমবার ওড়িশা পুলিশের একটি দল কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। সুহাহিলের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে কলকাতা পুলিশকেও জানানো হয়েছে। ছাত্রদের জিজ্ঞাসবাদ করে জানা গিয়েছে, কিছু বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পরেই হতাশায় ভুগছিলেন সুহাইল। বন্ধুদের বলেও ছিলেন তাঁকে ভুলে যেতে। পড়াশোনা করা ছাড়াও বৃথিবীতে তাঁর অবেক বড় কাজ পড়ে আছে। এদিনই কলকাতায় আসছে তদন্তকারী দলটি। তারপর সুহাইলের খোঁজ শুরু হবে নতুন করে। কলকাতা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে নিখোঁজের কারণ অনুসন্ধানেরও চেষ্টা হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.