১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটনার পাঁচদিন বাদেও বিক্ষোভে অনড় রাজধানীর উকিলরা। দাবি না মেটায় এখনও কাজে যোগ দিলেন না তাঁরা। দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ ছিল নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে নিক পুলিশ ও আইনজীবীরা। তবে পুলিশের দিক থেকে ‘সদিচ্ছা না থাকায়’ বৈঠক বয়কট করলেন আইনজীবীরা। উল্টোদিকে আদালতের নির্দেশে দিল্লি পুলিশের দুই আধিকারিককে বদলির নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

আগের দিনই দিল্লি হাইকোর্ট দুইপক্ষকে নির্দেশ দেয়, দ্রুত আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। সেই মতো বৃহস্পতিবার বিকেল চারটের সময় বাহাদুর শাহ জাফর মার্গের পুলিশ হেড কোয়ার্টারে যায় আইনজীবীদের একটি দল। কিন্তু সেখানে দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার ছাড়া কোনও শীর্ষ পদস্থ আধিকারিক না থাকায় বৈঠক বয়কট করেন আইনজীবীরা। এমনটাই জানিয়েছেন আইনজীবীদের কো অর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম‌্যান মহাবীর শর্মা। আইনজীবীদের অভিযোগ, আলোচনা চালানোর কোনপ সদিচ্ছা নেই পুলিশের। ‘অল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টস বার অ্যাসোশিয়েশন’-এর সেক্রেটারি ধীর সিং কাসানা বলেন, ‘আমরা বৈঠক করতেই গিয়েছিলাম। তবে সেখানে দিল্লি পুলিশের গ্ম কমিশনার রাজেশ খুরানা ছাড়া অন্য কোনও শীর্ষ আধিকারিক ছিলেন না। তাই আমরা আলোচনায় চালাইনি।’ তিনি আরও জানান, শুক্রবারও দিল্লিতে আইনজীবীদের কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। তবে মামলাকারীদের আদালতে ঢুকতে কোনও বাধা দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গাড়ি পার্কিং নিয়ে বচসার জেরে। তারপর কেটে গিয়েছে চারদিন। আপাতত সমস্যার অস্থায়ী সমাধান মিললেও পুলিশ ও আইনজীবীদের মধ্যে সংঘর্ষের উত্তাপ রয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে তিস হাজারি আদালতের মতো ঘটনা ঘটলে পুলিশ কর্মীদের নিরাপত্তাকে দেবে এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশকর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের মাথা ঠান্ডা রেখে কাজে যোগ দেওয়ার আরজি জানিয়েছিলেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েক। আইনজীবীদের সঙ্গে এই টানাপোড়েনের মাঝেই পুলিশের স্বপক্ষে টুইট করে বির্তক তৈরি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু। পুলিশ কর্মীরা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে কর্তব্য করলেও ধন্যবাদ পান না বলে অভিযোগ করেন। উলটে তাঁদের অপমানের শিকার হতে হয় বলেও উল্লেখ করেন। যদিও আইনজীবীদের সঙ্গে গন্ডগোল তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। তবে টুইটটি নিয়ে বিতর্ক হতে ও মঙ্গলবার হেড কোয়ার্টারের সামনে পুলিশ কর্মীরা বিক্ষোভ শুরু করার পর টুইটটি ডিলিট করে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: খাবার পৌঁছতে দেরি, বচসার মাঝে গ্রাহকের কানে কামড় ‘সুইগি’র ডেলিভারি বয়ের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং