সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর, পাঞ্জাব, মণিপুর, অরুণাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, লাক্ষাদ্বীপ ও লাদাখ, এই আট রাজ্যে সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার পথে হিন্দুরা! সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সাম্প্রতিক রায়ে সেই পথ প্রশস্ত হল। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, দেশের প্রত্যেক ব্যক্তি কোনও না কোনও রাজ্যে সংখ্যালঘু। ধর্ম এবং ভাষার ভিত্তিতে কোনও ব্যক্তিকে সংখ্যালঘু তকমা দেওয়াটা রাজ্যের উপর নির্ভরশীল।
মামলাকারীদের প্রশ্ন ছিল সব রাজ্যে তো মুসলিম (Muslim) বা খ্রিস্টানরা সংখ্যালঘু নন। তাহলে রাজ্যের ভিত্তিতে আলাদা আলাদা সংখ্যালঘু তকমা দেওয়া হবে না কেন? তার জবাবে শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিল, ধর্ম এবং ভাষার ভিত্তিতে সংখ্যালঘু তকমা পাওয়াটা রাজ্যের উপর নির্ভর করে। আমরা যদি পাঞ্জাবে শিখদের (Sikh) বা মিজোরাম এবং নাগাল্যান্ডে খ্রিস্টানদের সংখ্যালঘু তমকা দিই তাহলে সেটা ন্যায়ের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়। আদালতের বক্তব্য, মারাঠীরা মহারাষ্ট্রের বাইরে বেরোলে সংখ্যালঘু। আবার কন্নড় ভাষায় যাঁরা কথা বলেন, তাঁরাও কর্ণাটকের বাইরে সংখ্যালঘু।
[আরও পড়ুন: তৃণমূলের বিরুদ্ধে আর সংসদে ধরনা দেওয়া যাবে না, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে বিপাকে বঙ্গ বিজেপিই]
শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশের ফলে যে সব রাজ্যে হিন্দু জনসংখ্যা (Hindu Population) অন্যান্য ধর্মের জনসংখ্যার থেকে কম, সেসব রাজ্যে হিন্দুদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও খানিকটা গতি পেল বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও শীর্ষ আদালত এখনই এই রাজ্যগুলিতে হিন্দুদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়ার পক্ষে নয়। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এভাবে হাওয়াতে কোনও রাজ্যে হিন্দুদের সংখ্যালঘু তকমা দেওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে মামলাকারীদের উপযুক্ত প্রমাণ পেশ করতে হবে যে, এই রাজ্যগুলিতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু তকমা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
[আরও পড়ুন: অগ্নিবীরের আবেদনে জাতি শংসাপত্রের উল্লেখ, চাঞ্চল্যকর দাবি আপ সাংসদের, পালটা জবাব সেনার]
মামলাকারীরা জানিয়েছেন, লাদাখের (Ladakh) মাত্র ১ শতাংশ মানুষ হিন্দু, মিজোরামে হিন্দুদের সংখ্যা মাত্র ২.৭৫ শতাংশ, লাক্ষাদ্বীপে হিন্দু ২.৭৭ শতাংশ, কাশ্মীরে ৪ শতাংশ, নাগাল্যান্ডে ৮.৭ শতাংশ, মেঘালয়ে ১১.৫২ শতাংশ, অরুণাচলে ২৯ শতাংশ এবং পাঞ্জাবে ৪১.২৯ শতাংশ। অথচ এই রাজ্যগুলিতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ার সুবিধা পান না। আদালত তাতে পালটা জানিয়েছে, আসলে মানুষের সাধারণ ধারণাই হল ভারতে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু, তাই এরা সংখ্যালঘু সুবিধার জন্য আবেদনই করেন না। এরপরই আদালত জানায়, এ নিয়ে মামলাকারীদের আরও উপযুক্ত তথ্য-সহ মামলা করতে হবে।
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ