সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নামী রেস্তরাঁয় যথেচ্ছ পরিমান খাবার অর্ডার দিয়ে বসে শেষমেশ হাসফাঁস অবস্থা। অগত্যা একগাদা খাবার ফেলে উঠে যাওয়া। এভাবে খাবার অপচয় করার দিন শেষ। অন্তত এমনই নির্দেশিকা আনতে চলেছে কেন্দ্র। সম্প্রতি এই ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও জনবন্টন মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান।
[সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত ভারতীয় জাহাজ]
বিষয়টি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিজের ‘মন কি বাত’-এ তিনি নামী রেস্তরাঁগুলিতে খাবারের অপচয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই প্রসঙ্গ তুলে এদিন রামবিলাস পাসওয়ান বলেন, “যদি কোনও এক মানুষ দু’টি চিংড়িই খেতে পারেন, তাহলে তাঁর পাতে কেন ছ’টি চিংড়ি পরিবেশন করা হবে? কেউ যদি দু’টি ইডলি খান, তাঁকে কেনইবা চারটি ইডলি পরিবেশন করা হবে? এটি একেবারেই খাদ্যের অপচয় এবং সেই মানুষটির অর্থেরও অপচয় না খেতে পারলেও যাঁকে বাড়তি অর্থ দিতেই হচ্ছে।
[কুলভূষণ প্রসঙ্গে বলিউডের খান হিরোরা চুপ কেন, তোপ অভিজিতের]
নামী রেস্তরাঁগুলিতে এভাবে খাদ্যের অপচয়ই রুখতে চায় সরকার। সেই কারণেই নয়া নির্দেশিকা আনার ভাবনা-চিন্তা করা হচ্ছে। এর জন্য একটি প্রশ্নপত্রও তৈরি করা হয়েছে। যা দেশের সমস্ত বড় ও নামী রেস্তরাঁগুলিতে পাঠানো হবে। প্রশ্নপত্রে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে, নারী-পুরুষের নিরিখে একজন মানুষের জন্য কতটা খাবার পর্যাপ্ত। পাসওয়ানের মতে রেস্তরাঁর কর্মীরাও সবচেয়ে ভাল বলতে পারবেন একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে একবারে কতটা খাবার খাওয়া সম্ভব। এর প্রশ্নপত্রের উত্তর মিললেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে নিয়মের এই বেড়াজাল থেকে বাদ রাখা হয়েছে সাধারণ রেস্তরাঁগুলি ও রাস্তার পাশের ধাবাগুলিকে। যেখানে খাবারের দাম অনেক কম। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশে অনেক খাবারের অপচয় কমবে। অনেক গরীব মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন অনেকে।
[মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চেয়ে গ্রেপ্তারের মুখে কেজরি]
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা