‘নকশালরা আর শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাবে না।’ লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসবাদীদের উদ্দেশে হুঙ্কার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সন্ত্রাসের কালো অধ্যায় শেষ করে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যে সরকারের মুষ্ঠিবদ্ধ লড়াই সফলতার পথে। তবে বন্দুকে নকশালদের খতম করা গেলেও, মগজে নকশালরা এখনও ঘাপটি মেরে দেশের আনাচে কানেচে। এবার তাঁদের খুঁজে বের করে আইসোলেট করার সময় এসেছে। লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সাফ হুঁশিয়ারি, “দেশের অলিগলিতে মাওবাদীরা ঘাপটি মেরে বসে। জঙ্গলে বন্দুকে নকশালদের শেষ করা গেছে। দিমাগি নকশালরা সুযোগের অপেক্ষা করছে। হিংসা ছড়ানোর রাস্তা খুঁজছে, সমাজকে ভুল পথে চালানোর চেষ্টা করছে। এদের চিনতে হবে, আইসোলেট করতে হবে। বিকশিত রাষ্ট্র বানাতে যুবদের জুড়তে হবে। সুরক্ষিত ভারত তৈরি আমাদের সংকল্প।”
আরও পড়ুন:
স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মাওবাদীরা যুবদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। অনেক যুবদের কেড়ে নিয়েছে। বহু মা-বাবাদের স্বপ্ন চুরমার হয়েছে। ৪ দশক পর্যন্ত দেশের বিশাল অংশকে নিজেদের কব্জায় রেখেছিল মাওবাদীরা। বন্দুকের নলে দেশের সংবিধান তছনছ করে দিয়েছিল। সাড়ে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ কর্মী শহিদ হয়েছেন মাওবাদী হামলায়। যুদ্ধের চেয়ে বেশি মাওবাদী হামলা দেশের মাটিকে রক্তাক্ত করেছে।” সন্ত্রাসের শেষ দিনের শুরু হয়েছেল ২০১৪ সাল থেকে। এমনই দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর সাফ হুঁশিয়ারি, “২০১৪ সাল থেকেই দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করার সংকল্প করেছিলাম। যে ভূমিতে গুলি চলত, যে মাটিতে নকশালদের অবাধ বিচরণ ছিল, সেখানে আজ বিকাশ-বিশ্বাস-প্রয়াসের তেরঙ্গা উড়ছে। দেশের অলিগলিতে মাওবাদীরা ঘাপটি মেরে বসে। জঙ্গলে বন্দুকে নকশালদের শেষ করা গেছে। দিমাগি নকশালরা সুযোগের অপেক্ষা করছে। হিংসা ছড়ানোর রাস্তা খুঁজছে, সমাজকে ভুল পথে চালানোর চেষ্টা করছে। এদের চিনতে হবে, আইসোলেট করতে হবে। বিকশিত রাষ্ট্র বানাতে যুবদের জুড়তে হবে। সুরক্ষিত ভারত তৈরি আমাদের সংকল্প।” লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে বার্তা মোদির।
দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদী-নকশালদের খতমের লক্ষ্যে একের পর এক অভিযান চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যে পরপর মাওবাদীরা আত্মসমর্পন করেছে। এনকাউন্টারে শেষ হয়েছে মাওবাদী সংগঠনের মাথারা। তবে সন্ত্রাসের কালো ছায়া সমূলে উপড়ে ফেলতে এবার সরকারের টার্গেট মগজে নকশাল। প্রসঙ্গত, জেনজি আন্দোলনের আড়ালে নকশালদের ‘সূচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোনোর’ তত্ত্ব সামনে এসেছে। এদিনের বার্তায় স্পষ্ট, দেশের যুবদের স্বার্থে শহুরে নকশালদের ছারখার করতে বদ্ধপরিকর দেশের প্রধান।
সর্বশেষ খবর
-
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: রক্ত গরম করা সংলাপ, দক্ষিণী ধাঁচের অ্যাকশনে জমল জিতের ছবি
-
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পোঁতা হয়েছিল চারাগাছ, নীরবে স্বাধীনতার সাক্ষ্য বহন বাগনানের বৃক্ষত্রয়ীর
-
স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে শচীন-কোহলি, ‘কর্তব্য’ মনে করালেন গম্ভীর, কী বার্তা কলকাতার দুই প্রধানের?
-
পছন্দের চেয়ার না মেলায় ‘গোঁসা’ রাহুল-খাড়গের! এবারও এলেন না লালকেল্লায়
-
কলকাতার রাজপথের ক্যানভাসে ‘প্রতিবাদ আঁকলেন’ জয়া, অগ্নিমিত্রা-ঋতুপর্ণাদের সঙ্গে রাতদখলে আহসানও