সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপির প্রতি ক্ষোভ উগরে দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত? নতুন বছরের শুরুতেই ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করলেন সংঘপ্রধান। তাঁর কথায়, বিজেপিকে দেখে মোটেও আরএসএসকে বিচার করা উচিত নয়। সেটা করলে অত্যন্ত বড়সড় ভুল হবে। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, বর্তমান বিজেপির কার্যকলাপে কোনওভাবে অসন্তুষ্ট হয়েই কি খোঁচা দিলেন ভাগবত?
১৯৮০ সালে বিজেপির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। শুরু থেকেই আরএসএস ছিল বিজেপির আদর্শগত ভিত্তি। কিন্তু আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে সেই বিজেপি নিয়ে খানিকটা নেতিবাচক সুর শোনা গেল ভাগবতের কণ্ঠে। ভোপালের একটি জনসভায় ভাগবত বলেন, “আপনারা যদি বিজেপিকে দেখে সংঘকে বুঝতে চান তাহলে সেটা বিরাট বড় ভুল করবেন। আমরা একটা ইউনিফর্ম পরি, লাঠিচালনা করি, মিছিল করি। কিন্তু তার মানে এই নয় আমরা আধাসেনা। সংঘ একেবারে অন্যরকমের এক প্রতিষ্ঠান।”
ভাগবত আরও বলেন, আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দেশজুড়ে ঘুরেছেন তিনি। তখন উপলব্ধি করেছেন, সংঘকে ঘিরে একাধিক ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়েছে। তাই আরএসএসের ভূমিকা এবং উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। সংঘপ্রধানের কথায়, “বিজেপি বা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উপর সংঘের কোনও রিমোট কন্ট্রোল কাজ করে না। তারা স্বাধীন সংগঠন, স্বাধীনভাবেই কাজ করে।” ভাগবতের মতে, আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা যুক্ত থাকলেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বা বিজেপি মোটেই সংঘের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়।
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ত্রিপুরার পড়ুয়া অ্যাঞ্জেল চাকমার মৃত্যুতে ভাগবত বলেন, বিচ্ছিন্নতার মনোভাব এবং বৈষম্যের অনুভূতি দূর করা উচিত। সম্প্রতি কয়েকবার বিজেপির সঙ্গে আরএসএসের দূরত্বও বাড়াতে সচেষ্ট হয়েছেন ভাগবত। বাংলায় এসে বলেছিলেন, আরএসএস বিরোধের মনোভাব নিয়ে চলে না। শুধু হিন্দু সমাজের উন্নতির কথা ভাবে। প্রশ্ন উঠছে, বৃহত্তর হিন্দু সমাজের ঐক্যের লক্ষ্যেই কি বিজেপির থেকে দূরত্ব বাড়াতে চাইছেন সংঘপ্রধান? নাকি তিনি বুঝেছেন, রাজনৈতিক ছোঁয়াচ থাকলে সমাজে সংঘের প্রভাব বাড়ানো মুশকিল?
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে হবে ‘বনতারা’! শিল্প সম্ভাবনা উসকে মুম্বইয়ে আম্বানির সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু
-
বদলে যাবে উত্তরের পর্যটন, উদ্বোধনের আগেই ভাইরাল মূর্তি নদীর উপর তৈরি নয়া ব্রিজ
-
ইস্ট-মোহন ভক্তদের জন্য সুখবর, এবার খুব সহজেই বিনামূল্যে দেখা যাবে আইএসএল
-
দিল্লিতে পুলিশ সেজে নাবালিকাকে গণধর্ষণ! ইসকনের মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরতেই বন্ধুকে আটকে রেখে চলল নির্যাতন
-
ব্রিটিশদের তাড়া খেয়ে উৎখাত গোটা গ্রাম, অটল একমাত্র কুলদেবী! ৩৫০ বছরের ইতিহাসের সাক্ষী দুর্গাপুরের এই পুজো