Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ‘হাই ডোজ’ কমায় করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা’, দাবি ICMR-এর সমীক্ষায়

WHO নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও ICMR ভরসা রাখছে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ১৮:১৩

options
link
হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ‘হাই ডোজ’ কমায় করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা’, দাবি ICMR-এর সমীক্ষায় zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু Indian Council of Medical Research অর্থাৎ আইসিএমআর এখনও ভরসা রাখছে এই ম্যালেরিয়ার ওষুধেই। ICMR-এর এক পর্যবেক্ষণ বলছে, বেশি ডোজের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিলে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

করোনা মোকাবিলায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, যা আদতে ম্যালেরিয়ার ওষুধ, কতটা কার্যকর তা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে চিকিৎসক মহলে। তবে সম্প্রতি ICMR-এর একটি সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যাতে দেখা গিয়েছে,”৬ বা তাঁর বেশি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট নিয়েছেন, এমন স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম।” ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে,”সাধারণভাবে  অল্প হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নেওয়ার পরও করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা কমার কোনও প্রমাণ মেনেনি। তবে চারটি বা তাঁর বেশি পরিমাণ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট নিলে সংক্রমণের সম্ভাবনা কম হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।” আইসিএমআরের সমীক্ষাটিতে বলা হয়েছে, ‘হাই ডোজে’ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন নিয়েছেন এমন ২১ হাজার ৪০২ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা গিয়েছে। কিন্তু এদের মধ্যে মাত্র ৫ শতাংশ স্বাস্থ্যকর্মী করোনা পজিটিভ। তাছাড়া হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা বলা হচ্ছি, সেটাও তেমন গুরুতর নয়। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: রেলের করোনা হাসপাতালেই ‘ফেয়ারওয়েল পার্টি’র আয়োজন, প্রবল বিতর্ক রাজস্থানের কোটায়]

উল্লেখ্য WHO-এর দাবি, এই ওষুধ প্রয়োগের ফলে উপকার তো হচ্ছেই না, উলটে বিপদ বাড়ছে COVID-19 আক্রান্ত রোগীদের। কয়েকটি গবেষণায় এই তথ্যই সামনে এসেছে। যা বিবেচনা করে নিজেদের অনুমোদিত সমস্ত রকম চিকিৎসা পদ্ধতিতে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশিকা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তবে এই নিষেধাজ্ঞার পরও আইসিএমআর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ব্যবহার বন্ধ করেনি। টানা ৭ সপ্তাহ স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি করে ৪০০ মিলিগ্রাম হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে আইসিএমআরের এই সমীক্ষা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। এই সমীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আগামী দিনে করোনা মোকাবিলার রণকৌশল তৈরি করতে পারে ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.