Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
NEET

‘ফাঁসিতে ঝোলানো হোক’, নিট বাতিলে আত্মঘাতী মেয়ে, সুবিচার চেয়ে পথে নামলেন মা

গত ২০ মে আত্মঘাতী হয় তাঁর কন্যা। একমাত্র মেয়ের এই পরিণতিতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন আকাঙ্খার বাবা। পঙ্গু হয়ে পড়ে রয়েছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৬:০১

options
link
‘ফাঁসিতে ঝোলানো হোক’, নিট বাতিলে আত্মঘাতী মেয়ে, সুবিচার চেয়ে পথে নামলেন মা zoom
প্রশ্নফাঁসের পর পরীক্ষা বাতিল হতেই আত্মঘাতী হয় তাঁর কন্যা আকাঙ্খা।
Advertisement

নিটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ইস্তফা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। এবার মেয়ের সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছেন নীলম চতুর্বেদী। প্রশ্নফাঁসের পর পরীক্ষা বাতিল হতেই আত্মঘাতী হয় তাঁর কন্যা আকাঙ্খা। সন্তানহারা নীলম বলছেন, মন্ত্রী ইস্তফা দিলেই বা কী লাভ? প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হোক, দাবি নীলমের।

শনিবার পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। কিন্তু তাতেও মেয়ের সুবিচার মেলেনি, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন নীলম। নিট বাতিল হতেই গত ২০ মে আত্মঘাতী হয় তাঁর কন্যা। আদতে মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা এই চতুর্বেদী পরিবার। কিন্তু মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে মধ্যপ্রদেশ থেকে নাগপুর পাড়ি দেন সকলে। নাগপুরের একটি ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হয়ে নিটের প্রস্তুতি নিয়েছিল আকাঙ্খা। ৩ মে নিট দিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসীও ছিল সে। সাড়ে ছশোর বেশি নম্বর পাবে বলে আশা ছিল তার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হতেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে আকাঙ্খা। পরিবার সূত্রে খবর, খাওয়াদাওয়া-কথা বলা সমস্তই বন্ধ করে দিয়েছিল ১৮ বছর বয়সি ওই পড়ুয়া। গত ২০ মে চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। সুইসাইড নোটে মা-বাবাকে লেখে, ‘তোমাদের বিশ্বাস ছিল যে আমি পড়াশোনা করব, ডাক্তার হব। কিন্তু আবার নিট দেওয়ার সাহস করতে পারলাম না। প্রথমবারেই ভালো নম্বর পেতে পারতাম। কিন্তু দ্বিতীয়বার পরীক্ষাটা কতটা ভালো দিতে পারব কোনও নিশ্চয়তা নেই। মা, বাবা আমি অত্যন্ত দুঃখিত। সবটা শেষ করে ফেললাম।’

একমাত্র মেয়ের এই পরিণতিতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন আকাঙ্খার বাবা। পঙ্গু হয়ে পড়ে রয়েছেন তিনি। নীলম বলছেন, “আমার মেয়ে থাকলে সব সামলে নিত। এখন এই অবস্থায় আমাদের কে দেখবে? ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই। ইস্তফায় কী হবে? ইস্তফা দিলেই কি ঘটনার দায় এড়ানো যায়? প্রশ্নফাঁসে যারা জড়িত তাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।” প্রসঙ্গত, পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪ সংশোধনী বিল এনেছে কেন্দ্র। সেখানে সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল এবং ১ কোটি টাকার জরিমানা হতে পারে। ফাঁসির সাজা রাখা হয়নি আইনের সংশোধনী।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.