সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে অস্বীকার করায় এক মুসলিম কিশোরকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল কয়েকজনের বিরুদ্ধে৷ ওই কিশোরের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশই পুড়ে গিয়েছে৷ অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি রয়েছে সে৷ নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের চাণ্ডৌলিতে৷ কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা জানা যায়নি৷ তবে যোগীরাজ্যের এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷
[আরও পড়ুন: বাড়ির অমতে বিয়ের জের, হুমকি পেয়ে ফের পুলিশের দ্বারস্থ উত্তরপ্রদেশের দুই দম্পতি]
উত্তরপ্রদেশের চাণ্ডৌলিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে ওই কিশোর৷ ব্যক্তিগত কাজে দুধারি ব্রিজের উপর দিয়ে যাচ্ছিল সে৷ অভিযোগ, আচমকাই চারজন তাকে ঘিরে ধরে৷ প্রায় জোর করে টেনেহিঁচড়ে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় তাকে৷ দু’জন মিলে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে৷ ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ার জন্য জোর করা হয় ওই মুসলমান কিশোরকে৷ তবে সে বলতে রাজি হয়নি৷ এই নিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে ওই কিশোরের কথা কাটাকাটি হয়৷ কিশোরের আরও অভিযোগ, আচমকাই অপহরণকারীদের দলে থাকা এক যুবক কিশোরের গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয়৷ কিছু বুঝে ওঠার আগেই কিশোরের গায়ে জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি ছুঁড়ে দেয় সে৷ জীবন্ত জ্বলন্ত অবস্থায় ছটফট করতে শুরু করে কিশোর৷ পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয় চারজন৷
কিশোরের দাবি, ওই পরিস্থিতিতে তাকে বাঁচাতে কেউই এগিয়ে আসেনি৷ বাধ্য হয়ে অতি কষ্টে বাড়ি পৌঁছয় সে৷ তড়িঘড়ি পরিজনেরা কিশোরকে উদ্ধার করে কাশীর কবির চৌরা হাসপাতালে ভরতি করেন৷ চিকিৎসকরা জানান, তার শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে৷ অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক৷ আদৌ তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ে চিকিৎসকরা৷ এই ঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ তবে এখনও পর্যন্ত কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি৷
[আরও পড়ুন: প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত উন্নাওয়ের সেই নির্যাতিতা]
মাসখানেক আগে ঝাড়খণ্ডেও ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি না দেওয়ায় তবরেজ আনসারি নামে এক যুবককে দীর্ঘক্ষণ ধরে মারধর করা হয়৷ পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুবককে থানায় নিয়ে যায়৷ ঘটনার চারদিন পর মারা যান তবরেজ৷ তার মাসখানেকের মধ্যেই আবার কিশোরের নির্মম পরিস্থিতি ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে৷ কেন গণপিটুনি রোখা সম্ভব হচ্ছে না, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিরা৷
SP Chandauli: He’s admitted in a hospital with 45% burns. He had given different statements to different people, so it seemed suspicious. It seemed he had been tutored. Police monitored CCTV footage of places he had mentioned & found that he had not been at any of those places. pic.twitter.com/Z6ZrijmE0Q
— ANI UP (@ANINewsUP) July 29, 2019
সর্বশেষ খবর
-
আসানসোলেও এবার রোমিওদের যম! পুজোর আগেই রাস্তায় ‘দুর্গা স্কোয়াড’ বাহিনী, উদ্বোধনে অগ্নিমিত্রা
-
সেপ্টেম্বরে ৪ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক, বন্ধ থাকবে এটিএম! চরম সমস্যার আশঙ্কা
-
তৃণমূল কাউন্সিলরকে তাড়া জনতার, সামাল দিতে লাঠিচার্জ-কাঁদানে গ্যাস পুলিশের, দুর্গাপুরে ধুন্ধুমার
-
এসিসি নির্বাচনে বিসিসিআইকে টেক্কা, বড় জয়ে এশীয় ক্রিকেটে প্রভাব বাড়ল পাকিস্তানের?
-
প্রায় দেড়শো ইনজেকশনের যন্ত্রণা! যমজ সন্তানের মা হলেন অনুষ্কা, কী নাম রাখলেন?