Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬

জানেন, কেন গরু দত্তক নিলেন এই প্রযোজক?

সম্প্রীতির বার্তা নাকি গিমিক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৭, ১৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৭, ১৫:০৭

options
link
জানেন, কেন গরু দত্তক নিলেন এই প্রযোজক? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গো-রক্ষা থেকে গণপিটুনি নিয়ে যখন সরগরম দেশ, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিতে বাছুর সমেত একটি গরুকে দত্তক নিলেন এক মুসলিম প্রযোজক। রবিবার কোটায় নিজের বাড়িতে পুজো করে গরু ও বাছুরটিকে ঘরে তোলেন তিনি।

[ষষ্ঠদশ লোকসভার ৩ বছর পার, কেমন হল সাংসদদের মার্কশিট?]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গরুর মতো এক অবলা জীবকে সামনে রেখে যেভাবে বেড়ে চলেছে হিংসা, তারই প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজকে এক বার্তা দিতে চেয়েছেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা সারোশ খান। মুসলিমদের সাবেকি পোশাক পাঠানি স্যুট ও মাথায় টুপি পরেই হিন্দু ধর্ম মতে পুজো করেন তিনি। গরুর কপালে সিঁদুরের টিকাও দেন। খানের মতে, ইসলাম কখনওই হিন্দু বা অন্য কোন ধর্মের বিরোধিতা করতে বলে না। প্রত্যেকেরই অন্য ধর্মকে সম্মান করা উচিত।

[ভক্তদের হাতে দুধ পান করছে পাথরের মূর্তি, যোগীর রাজ্যে শোরগোল]

পেশায় প্রযোজক ও অভিনেতা সারোশকে দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি হিন্দি ও রাজস্থানি ছবিতে। ৫০,০০০ টাকার বিনিময়ে বাছুর সমেত গরুটি তিনি কিনেছেন। খান জানিয়েছেন, গো-রক্ষার নামে যা চলছে তা এককথায় মেনে নেওয়া যায় না। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি একটি গরু দত্তক নেবেন। পাশাপাশি সবাইকে বার্তা দিতে চান যে, গরুকে খাদ্য হিসাবে নয়, জীব হিসাবেও ভালবাসেন অনেক মুসলিম ব্যক্তি। যদি তাঁর এই পদক্ষেপে একটু হলেও হিংসা কমে, সেটাই হবে তাঁর প্রাপ্তি। গো-রক্ষা নিয়ে যাঁরা সত্যিই চিন্তিত তাঁদের উদ্দেশ্যে সারোশ বলেছেন, যদি সত্যিই গরুকে মা রূপে দেখে থাকে কেউ তাহলে দয়া করে গরুকে পালন করুন।

[মোদি-যোগীর নিন্দা রুখে প্রহৃত হিন্দু যুবক! সত্যিটা কী?]

বিশেষজ্ঞদের মতে, গরু কোনও ধর্ম বা জাতির মা নয়, গরু গোটা পৃথিবীর মা। তাই গরুকে মাতৃরূপে পুজো করার প্রচলন রয়েছে। তবে সেই গরুকে নিয়ে যেভাবে রাজনৈতিক হিংসা চলছে দেশ জুড়ে তা সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না। তাই সারোশ খানের এই উদ্যোগ যে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতিকে আরও একটু সুদৃঢ় করবে সেব্যাপারে আশাবাদী সকলেই। সারোশের বাড়িতে এই পুজোয় তাই শামিল ছিলেন হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে তাঁর সমস্ত বন্ধুবান্ধবরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.