Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

হিন্দু মহিলাকে বিয়ের ‘মাশুল’, প্রাণ গেল মুসলিম ব্যক্তির

ছেলের জন্মদিনের কেক কিনে আর বাড়ি ফেরা হলা না ওই ব্যক্তির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৭, ১০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৭, ১০:৪৬

options
link
হিন্দু মহিলাকে বিয়ের ‘মাশুল’, প্রাণ গেল মুসলিম ব্যক্তির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বছর খানেকের ছেলেটা নিজের জন্মদিনে কেকের বায়না ধরেছিল। কেক কিনতেই বেরিয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরের নাসিম আহমেদ। তবে কল্পনাও বোধহয় করেননি যে এটাই তাঁর জীবনের শেষ সাক্ষাৎ হবে তাঁর পরিবারের সঙ্গে।

[কেন স্ত্রীর মুখ দেখা যাচ্ছে, সেলফি নিয়ে এবার ইরফানকে বিঁধলেন মৌলবি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার সন্ধে। শুধু কেক নয়, ছেলের জন্মদিনের যাবতীয় কেনাকাটা করে পরিবারকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলেন তেইশ বছরের নাসির। বাড়ি ফেরার পথে তাঁকে ঘিরে ধরে জনা চারেক লোক। নিজের গ্রামের রাস্তাতেই হকি স্টিক দিয়ে রীতিমতো পেটানো হয় তাঁকে। আর তারপর খুব কাছ থেকে পেটে আর মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায় তারা।

[এবার বিনামূল্যে অতিরিক্ত ১০০ জিবি ৪জি ডেটার অফার আনল Jio]

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে নাসির আহমেদের শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাই আছে এই খুনের পিছনে। বছর দুয়েক আগে গ্রামেরই মেয়ে পিঙ্কি কুমারকে বিয়ে করে নাসির। অপরাধ বোধহয় সেটাই ছিল। এই বিয়ে মেনে নেননি পিঙ্কির বাড়ির লোকজন। এক হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার মাশুল তাই নাসিরকে দিতে হল নিজের প্রাণ দিয়ে। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন পিঙ্কি। যে অভিযোগে নাম রয়েছে তাঁরই বাবা ও দাদার। তবে দু’জনেই পলাতক বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

[নারদ কাণ্ডে এবার পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সমন ইডির]

গোটা ঘটনায় যাতে কোনওভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত না হয়, তার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। সেই চেষ্টা রয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যেও। চলছে গ্রামে গ্রামে পুলিশি টহলদারি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ মঙ্গলবার কয়েকজন বহিরাগত গ্রামে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা ধরে ফেলতেই তারা পালিয়ে যায়। তবে এই ঘটনা অশান্তি ছড়ানোর জন্য নয় বলে মনে করছে পুলিশ। পারিবারিক শত্রুতার জন্যই এই খুন বলে অনুমান তাদের।  ১৩,০০০ গ্রামবাসীর মধ্যে ওই গ্রামে ৩,০০০ মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের বাস। ২০১৩ সালের মুজফফরনগর দাঙ্গার সময়ে এই গ্রাম থেকে অশান্তির খবর আসেনি। তবে এই ঘটনায় থমথমে হয়ে আছে গোটা গ্রাম। অপরাধীদের কড়া শাস্তির দাবি করছে পিঙ্কি। আর গ্রামবাসীদের মনে কোথাও একটা আতঙ্কের ছাপ। কারণ এই ঘটনা হয়তো উসকে দিয়ে গেল চার বছর আগেকার মুজফফরনগরের দাঙ্গার স্মৃতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.