কথায় বলে ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। কিন্তু সেটা কি সব সময় সত্যি হয়? রোদ ঝলমলে সকাল পেরিয়ে দুপুরেই আকাশ কালো করে নামতে পারে প্রবল বৃষ্টি। দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ভারতের অবস্থা হল ঠিক তেমনটাই। একটা সময় শ্রেয়স আয়ার ও বিরাট কোহলিরা যেভাবে খেলছিলেন মনে হচ্ছিল বড় রান স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল মিডল অর্ডার হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ায় আড়াইশো রানের গণ্ডিও পেরনো হল না। এমনকী পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ার ইনিংস শেষ হল ৪৪ ওভারে! শেষে বুমরাহ চটজলদি কয়েকটা শট না খেললে স্কোরবোর্ড আরও করুণ হতেই পারত।
অথচ দুই ওপেনার সফল না হলেও শ্রেয়স-কোহলি যখন খেলছিলেন মনে হচ্ছিল বড় স্কোর সময়ের অপেক্ষা। কোহলি আগের ম্যাচে মাত্র চার রানেই ফিরেছিলেন। এদিন কিন্তু একেবারেই ভিন্ন মেজাজে ছিলেন। ৬৬ বলে করে গেলেন ৬৫। মারলেন আটটি বাউন্ডারি। এর মধ্যে জোফ্রা আর্চারকে মারা স্ট্রেট ড্রাইভে চোখ জুড়িয়ে গেল। কট বিহাইন্ডের জোরালো আপিল থেকে বাঁচার পরই আচমকা একটা মিস টাইমড শটে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হল তাঁকে। সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারও অনবদ্য খেললেন। ৭১ বলে করে গেলেন ৬৬।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, রোহিতের ব্যাট যেন কথা বলতেই ভুলে গিয়েছে। এদিনের ৪৭ বলে ২৬ রান রোহিত-ভক্তদের মনখারাপ করে দেবে। একটা সময় পরপর ন’টা বল ডট খেললেন তিনি। দেখে কে বলবে এই মানুষটিই ওয়ানডে ম্যাচে তিনটি ডবল সেঞ্চুরি করে বসে আছেন! তেমনই করুণ অবস্থা ভারতীয় মিডল অর্ডারের। ২৬ বলে ১৫ রানে গেল চার উইকেট! জোফ্রা আর্চার (৪৭/৩), গাস অ্যাটকিনসন (৫০/৩), সাকিব মাহমুদ (৫২/২) সকলেই চমৎকার বোলিং করলেন। ফলে আটকে গেল ভারত। শেষদিকে ক্যামিও ইনিংসে দর্শকদের আনন্দ দিলেন বুমরাহ (১৩ বলে ২০, ৩x৪, ১x৬)।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বাঘ নয়, অভিষেক বাঘরোল’, মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় সরব ঋতব্রত
-
দপ্তর-তহবিল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র উপর অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা, বিচারককে ‘কুকথা’ মমতার আইনজীবীদের
-
ত্রিকোণ প্রেমের জেরে খুন হাওড়ার নাবালিকা, সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ পুলিশের
-
রথযাত্রায় কলকাতায় কাজল, বৃষ্টিস্নাত শহরে কেন বঙ্গতনয়ার ‘ঝলমলে’ আবির্ভাব?
-
১৫০ কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, গাজিয়াবাদে বাবাকে গুলিতে ঝাঁজরা করল মদ্যপ ছেলে!