BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সেনাবাহিনীর নিয়ম সত্ত্বেও দাড়ি কাটতে অস্বীকার, বরখাস্ত মুসলিম জওয়ান

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 4, 2016 2:28 pm|    Updated: April 26, 2019 2:49 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনেকবার বলা হয়েছিল দাঁড়ি কাটতে৷  কিন্তু ধর্মের অনুশাসন মেনে গালের দাড়ির কাটতে অস্বীকার করেছিলেন কর্নাটকের ধারওয়াড়ের বাসিন্দা মাখতুম হুসেন, মাখতুম ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন৷

ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিয়ম একমাত্র শিখ সেনাকর্মীরা ছাড়া দাড়ি কেউ রাখতে পারেন না৷  কিন্তু ধর্মীয় কারণে দাড়ি কাটতে রাজি হননি বছর চৌত্রিশের মাখতুম হুসেন৷  ২০০১ সালে মাখতুম তাঁর ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকের কাছে দাড়ি রাখার অনুমতি চান৷  প্রথম তাঁর কম্যান্ডিং অফিসার অনুমতি দিলেও পরে নতুন নিয়মের দোহাই দিয়ে সেই অনুমতি পরে ফিরিয়ে নেন৷  ওই জওয়ানকে দাড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়৷  পুণের কম্যান্ড হাসপাতালে সরিয়ে দেওয়া হয় ওই জওয়ানকে৷  সেখানেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাঁকে দাড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়৷  কিন্তু জেদের বশে একেবারই পিছু হটতে রাজি ছিলেন না মাখতুম৷  বারবার নির্দেশ না মানায় শো-কজ করা হয় মাখতুমকে৷  সন্তোষজনক জবাব না মেলায় চোদ্দ দিনের নোটিসে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়৷  সেনাবাহিনীর কোচির ট্রাইব্যুনাল একই নির্দেশ বহাল রাখে৷  ‘অবাঞ্ছিত’ কর্মী বলে তাঁকা বরখাস্ত করে সেনা৷  এরপরই কর্নাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই সেনাকর্মী৷  তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, সুবিচার চেয়ে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন করতে পারেন ওই জওয়ান৷

দাড়ি রাখা নিয়ে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর আলাদা আলাদা নিয়ম অনুসরণ করে৷  সেনাবাহিনীতে শিখ ছাড়া অন্য ধর্মালম্বীরা সাময়িক ভাবে দাড়ি রাখতে পারেন তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র কয়েকটি বিশেষ রেজিমেন্টের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷ নৌবাহিনীতে কম্যান্ডিং অফিসারের অনুমতি সাপেক্ষে রাখা যায় দাড়ি৷ বিমানবাহিনীতে ডিউটি এবং প্যারাডের সময় কোন ধর্মের চিহ্ন বহন করতে পারেন না  কর্মী-আধিকারিকরা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement