সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে যেমন সতীদাহ প্রথা ও পণপ্রথা বন্ধ হয়েছে, তেমনই মুসলিম সম্প্রদায়ের উচিত তিন তালাক প্রথা নিষিদ্ধ করে দেওয়া। তিন তালাকের বিরোধিতা করে রবিবার এ কথাই বললেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নাইডু।
[জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত মিশর, চার্চে বিস্ফোরণে নিহত ২১]
শনিবার তিন তালাকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন উপ রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির স্ত্রী সালমা আনসারি। তিনি বলেন, “তিন তালাক বললেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয় না। মুসলিম মহিলাদের উচিত ধর্মগুরুদের কথায় আস্থা না রেখে কোরান পড়ে প্রকৃত তথ্য জানা।” সালমা আনসারি বলেছেন, ‘তিন তালাক কোনও বিষয় নয়। কেউ তিনবার মুখ দিয়ে তালাক, তালাক, তালাক উচ্চারণ করলেই বিবাহ বিচ্ছেদ হতে পারে না।’ শনিবার উপ রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনীর এমন মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয় বিস্তর। এবার একই কথা শোনা গেল বেঙ্কাইয়া নাইডুর গলাতেও। তিনি বলেন, “তিন তালাকের কোনও মানেই হয় না। এবং প্রত্যেকেই তা জানে। তা সত্ত্বেও কিছু মানুষ মুসলিম মহিলাদের উপর অবিচার করে চলেছে। এবার মুসলিম সম্প্রদায়ে বড়সড় পরিবর্তনের সময় এসেছে।” হিন্দু সম্প্রদায়ে যুগ যুগ ধরে চলতে থাকা প্রথাতেও যে বদল এসেছে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, “হিন্দু সমাজে একাধিক পরিবর্তন ঘটেছে। নিয়ম করে বাল্যবিবাহ, পণপ্রথা এবং সতীদাহ প্রথা বন্ধ করা হয়েছে। আমার মনে হয় এ বিষয়ে মুসলিম সমাজের মানুষদের একজোট হয়ে ঠান্ডা মাথায় এ বিষয়ে একটা স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত।”
[শরীরের বাইরে হৃদপিণ্ড নিয়ে ভূমিষ্ঠ শিশু, তাজ্জব চিকিৎসকরাও]
তিন তালাককে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একটি আবেদন করা হয়েছে। আগামী ১১ মে সেই মামলার শুনানি।
সর্বশেষ খবর
-
গান জুড়ে রগরগে যৌনতা! স্ত্রীর ‘মাত্রাতিরিক্ত বোল্ডনেসে’ কী প্রতিক্রিয়া সিদ্ধার্থের?
-
‘ভারতীয়রা দুধে চিনির মতো’, অস্ট্রেলিয়ায় মোদির মন্তব্যে উচ্ছ্বসিত প্রবাসীরা
-
কপালে তিলক-গলায় তুলসিমালা, ছাত্রীকে ‘বহিষ্কার’ করেও শিক্ষাদপ্তরের ‘চাপে’ ফেরাল স্কুল
-
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পুরস্কার! রাজ্যসভার প্রার্থী ৩ প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, জারি বিজ্ঞপ্তি
-
মোবাইলে আসক্তি বাড়ছে শিশুর! বাড়ি বাড়ি গিয়ে তদারকি করবেন আশাকর্মীরা