২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অত‌্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় রাইফেল হাতে নিয়ে বিয়ে করতে এলেন বর-কনে। সেই রাইফেলগুলি হাতে নিয়ে পোজ দিয়ে ছবি তুললেন এবং সোশ‌্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন বর, কনে। দু’জনের বয়স তিরিশের কোঠায়। বরের পরনে কালো স্যুট, কালো জুতো। কনের পরনে সাদা গাউন। মাথায় সাদা ফুল। গির্জায় বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ওই পোশাকে রাইফেল হাতেই অতিথি অভ‌্যাগতদের অ‌ভ্যর্থনা জানালেন তাঁরা। রিসেপশনেও এলেন বন্দুক হাতে। ঘটনার কথা শুনে চমকে উঠেছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা। বর-কনেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে বর, কনে কিন্তু সব অনুষ্ঠান শেষে গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তাঁদের খোঁজা হচ্ছে। ততক্ষণে হইচই পড়ে গিয়েছে রাজ‌্যজুড়ে। কারণ রাজ‌্যটার নাম নাগাল‌্যান্ড। আর বরের নাম? তিনি হলেন জঙ্গি সংগঠন ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড-ইউনিফিকেশনের কিলো কিলোনসরের ছেলে বোহোতা কিবা।

নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর জেলায় তাঁর বিয়ে হয়। শনিবার, ৯ নভেম্বরের বিয়ের রিসেপশনে কিবা ও তাঁর স্ত্রী বন্দুক হাতে অতিথি অভ্যাগতদের সামনে পোজ দেন। সেখানেই ছবিগুলি তোলা হয়। পরে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। কিবা নিজেও নাগাল্যান্ডের একজন প্রভাবশালী জঙ্গি নেতা। দু’জনের হাতেই ছিল অটোমেটিক অ্যাসল্ট রাইফেল। বরের হাতে একে ৫৬ ও কনের হাতে এম ১৬। সাধারণত ভারত, চিন, মায়ানমারের সেনারা এগুলি ব‌্যবহার করেন। ২০১২ সালে এক সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি দিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন কিবা। নাগাল‌্যান্ড, মণিপুরে অনেক তোলাবাজি, অপহরণ, খুনের ঘটনায় কিবার নাম জড়িয়েছে। তাঁকে ঘিরে থাকে নাগা জঙ্গিদের নিরাপত্তা বলয়।

[ আরও পড়ুন: ‘গর্ভস্থ সন্তানকে বিক্রি করেই ক্ষতিপূরণ নাও’, ধর্ষিতাকে নির্দেশ বিহারের খাপ পঞ্চায়েতের ]

নাগাল্যান্ডের পুলিশ প্রধান টি জন লংকুমের জানিয়েছেন, অবৈধ অস্ত্র রাখায় অভিযুক্তদের ‘অস্ত্র আইন ১৯৫৯’-এ গ্রেপ্তার করা হবে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তর-পূর্বের এক অবসরপ্রাপ্ত আমলা সংবাদসংস্থা এএনআইকে বলেছেন, ‘এই ঘটনাতেই প্রমাণ উত্তর-পূর্ব ভারতে জঙ্গলের রাজত্ব চলে। বিশেষ করে মণিপুর, নাগাল‌্যান্ড, মিজোরাম রাজ্যের মায়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় কী চলে তার ছবিটা দিল্লি অবধি কখনওই ঠিকঠাক পৌঁছয় না।’

তিনি আফস্পার পক্ষে সওয়াল করে বলেন, ‘উত্তর-পূর্বের মানুষের নিরাপত্তার জন‌্যই আফস্পা দরকার। না হলে জঙ্গি সংগঠনগুলি তাণ্ডব শুরু দেবে। সাধারণ মানুষের উপরেই লুটপাট, অত‌্যাচার চালাবে তারা। স্বাধীনতা সংগ্রামের নামে তোলাবাজি চালানো, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করাটাই এদের পেশা।’

[ আরও পড়ুন: বিয়েতে অরাজি, তাইকোন্ডো খেলোয়াড়কে গুলি করে খুন করল কোচ ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং