সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডিসেম্বরের ছয় তারিখই ছিল জন্মদিন৷ পরিবারের সঙ্গে কাটাবেন বলে ঠিক করেছিলেন মেজর অক্ষয় কুমার৷ ছুটিও নিয়েছিলেন৷ তার আগেই চলে এলেন বেঙ্গালুরু৷ তবে প্রাণহীন সেই দেহ ছিল তেরঙ্গায় মোড়া৷
জেহাদের নামে কিছু জঙ্গির কাপুরুষোচিত আক্রমণের যোগ্য জবাব দিয়েছিল ভারতীয় সেনা৷ কিন্তু হারিয়েছে দুই অফিসার সহ সাত জওয়ানকেও৷ সহযোদ্ধাদের কথায়, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ে গিয়েছিলেন মেজর৷ অক্ষয়ের মৃত্যুর খবর যখন এল, সেই সময় ক্যাম্পের আবাসনেই ছিলেন স্ত্রী সঙ্গীতা ও তিন বছরের মেয়ে নেনা৷ ছোট্ট মেয়েটি এখনও বুঝে উঠতে পারেনি কত বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে তার৷
একই পরিস্থিতি অক্ষয়ের বেঙ্গালুরুর বাড়িতেও৷ গত মঙ্গবার পর্যন্তও যেখানে ছিল ৩২ বছরের অক্ষয়ের জন্মদিনের তোড়জোর৷ আজ সেখানে শুধুই নিস্তব্ধতা৷ ছেলের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়লেও নিজেকে সামলে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন অক্ষয়ের মা মেঘনা গিরিশ৷ ছোট্ট নাতনি ও পুত্রবধূকে তাঁকেই সামলাতে হবে যে৷ স্মৃতির ভান্ডারে এখন শুধু সেই মুহূর্তগুলি রয়ে গিয়েছে, যখন গতবছরের অক্টোবরে শেষবার বোনের বিয়ে উপলক্ষ্যে বাড়ি এসেছিলেন অক্ষয়৷ সেই একমাসের স্মৃতিতেই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান তিনি৷ আর নাতনিকে জানাতে চান তাঁর বাবার গর্বের ইতিহাস৷
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে