সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিবিআই ইস্যুতে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূল-সহ বিরোধীদের একহাত নিয়েছেন তিনি। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই দেখে তৃণমূল-সহ বিরোধীরা ভয় পেয়েছে। আমাকে বদনাম করতে কলকাতায় সকলে একজোট হয়েছিল। নিজেদের দুর্নীতিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিরোধীরা।’
[ রাজীব কুমারকে জেরার প্রস্তুতি, প্রশ্নপত্র তৈরি সিবিআইয়ের]
লোকসভা ভোটের মুখে সিবিআই ইস্যুতে রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। সারদাকাণ্ডে জেরা করতে খোদ কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাংলোয় গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। বাধা দেওয়াই শুধু নয়, সিবিআই আধিকারিকদের আটক করে শেক্সপিয়ার সরণি থানায় নিয়ে যান কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। ঘটনার দিন রাতে মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধরনা মঞ্চে হাজির হন চন্দ্রবাবু নায়ডু, কানিমোঝি, তেজস্বী যাদবের মতো বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। টুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন জানান অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারাও। এদিকে পুলিশ কমিশনারকে জেরা করতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের মামলা করে সিবিআই। কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে চিটফান্ডের তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে তাঁকে এখনই গ্রেপ্তার করা যাবে না। শিলংয়ে রাজীব কুমার জেরা করার তোড়জোড়ও শুরু করে দিয়েছে সিবিআই।
এদিকে আদালতে রায়কে ‘নৈতিক জয়’ বলে উল্লেখ করে মঙ্গলবার রাতে ধরনা প্রত্যাহার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিবিআইকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের প্রতিবাদে ১৩ ও ১৪ ফ্রেরুয়ারি দিল্লিতে ধরনা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি। বুধবার সিবিআই ইস্যুতে বিরোধীদের আন্দোলনকেই কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূল-সহ বিরোধীদের বিরুদ্ধে পালটা দুর্নীতির অভিযোগও তুললেন।
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির